বিদেশে অর্থ পাচার: বিএনপি নেতা ফালুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা

আগের সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রে আইনজীবী নিয়োগ দেবে সরকার

পরের সংবাদ

কী হলো রোনালদোর

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২ , ৮:৫২ অপরাহ্ণ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২ , ৮:৫২ অপরাহ্ণ

বল নিয়ে ডি-বক্স থেকে রক্ষণভাগের ফুটবলারদের বাধা অতিক্রম করে গোলরক্ষকের সামনে গেলেন। গোলরক্ষককে একা পেয়ে তাকেও দুই পায়ের জাদুতে কাটিয়ে নিলেন। গোলপোস্ট ফাঁকা, কিন্তু গোল হয়নি। সাধারণ কোনো ফুটবলার হলেও ঘটনাটি মেনে নেয়া যায় না। কিন্তু বল পায়ে সেক্ষেত্রে যদি পর্তুগিজ তারকা রোনালদো থাকে তাহলে সেটি কল্পনাও করাও দুরূহ। তবে অকল্পনীয় বিষয়টিকে গতকাল বাস্তবে রূপ দিয়েছে সিআর সেভেন খ্যাত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। শুধু গতকালই নয়। নতুন বছরের শুরু থেকেই চিরচেনা রূপে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সিআর সেভেনকে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি পর্তুগিজ তারকার জন্মদিনের আগের দিনও পেনাল্টির সুযোগ পেয়ে স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন রোনালদো। নতুন বছরের শুরু থেকে এ নিয়ে টানা ছয় ম্যাচ নামের পাশে গোলসংখ্যা লিখাতে পারেননি তিনি।

প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচগুলোতে ৩ জানুয়ারিতে রোনালদোর উপস্থিতিতেও উলভার হ্যাম্পটনের সাতে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে ম্যানইউ। এরপর ১০ জানুয়ার এফ এ কাপে রোনালদোকে রেখেই ১-০ গোলের জিতেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রিমিয়ার লিগের পরবর্তী ম্যাচে ১৫ জানুয়রি অ্যাস্টন ভিলার সঙ্গে রোনালদোকে ছাড়াই ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ডের ডেভিলসরা। পরবর্তী ম্যাচে ব্রেন্টফোর্ডের সাতে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেলেও দলে থেকে গোলশূন্য থেকেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২২ জানুয়ারিও সাউদাম্পটনের সঙ্গে গোল পায়নি। ৪ ফেব্রুয়ারি স্পট কিক থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। গতকালও গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও গোলের খরা কাটাতে ব্যর্থ হয়েছে ম্যানইউর ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সর্বশেষ ২০০৮-০৯ মৌসুমে এরকম গোল খরায় ছিলেন সিআর সেভেন। সেই আসরে টানা সাত ম্যাচ গোলের দেখা পাননি তিনি। এ আসরে সর্বশেষ গোলের দেখা পেয়েছিলেন গত ৩০ ডিসেম্বর। তারপর থেকে ছয় ম্যাচেও কোনো গোলের দেখা পাননি তিনি। অথচ এই সিআর সেভেন বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে কত খ্যাতি অর্জন করেছেন। একই ক্লাবের হয়ে প্রথমবার ২০০৭-০৮ মৌসুমে সর্বমোট ৪৯টি ম্যাচে গোল করেছিলেন ৪২টি। পরবর্তী সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গোল বন্যায় ভেসেছেন তিনি। মাত্র ৯ মৌসুম খেলেই লা লিগায় ৩৩টি হ্যাটট্রিক করে রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এছাড়া লা লিগায় দ্রুততম দেড়শত, দুইশত ও তিনশত গোলের রেকর্ডও তার অধীনে। টানা ৬টি মৌসুমে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ৫০ গোলের রেকর্ড গড়েছেন এ পর্তুগিজ তারকা। আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির সঙ্গে যুগ্মভাবে ফিফার বর্ষসেরা দলে জায়গা করে নিয়েছেন ১১ বার। ইউরোপিয়ান ফুটবলে রোনালদোর আধিপত্য আরো প্রখর। উয়েফার বর্ষসেরা দলে জায়গা করে নিয়েছেন ১২ বার। পাঁচবার জিতেছেন ব্যালন ডি’আর। দেশের হয়েও কম যাননি তিনি। ২০১৫ সালেই পর্তুগালের ইতিহাসের সেরা ফুটবলার হিসেবে রোনালদোর নাম ঘোষণা করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়