ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাৎ চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার

আগের সংবাদ

ভারতের খোলা বাজারে করোনার টিকা

পরের সংবাদ

ঘরের মাঠে চট্টগ্রামকে হারের স্বাদ দিল খুলনা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২২ , ৫:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২২ , ৫:১৭ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আজ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও খুলনা টাইগার্সের ম্যাচ দিয়ে চট্টগ্রাম পর্ব শুরু হয়েছে।

২৮ জানুয়ারি (শুক্রবার) দিনের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং করে স্বাগতিক চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। আফিফ হোসাইনের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে মেহেদি হাসান মিরাজের দল। ১৪৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি খুলনা টাইগার্সের। দলীয় ২ রানের মাথায় শরিফুল ইসলামের বলে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। এর পর হাল ধরেন আন্দ্রে ফ্লেচার ও রনি তালুকদার। ১৮ বলে ১৭ রান করা রনিকে আউট করে চট্টগ্রাম শিবিরে স্বস্থি ফিরিয়ে আনেন নাসুম আহমেদ।

৫২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দল যখন চাপে সে মুহুর্তে আন্দ্রে ফ্লেচারের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় উইকেটে এ জুটি ৪৬ রান তোলেন। আন্দ্রে ফ্লেচার ৪৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। সে পর্যন্ত ৪৭ বলে ৫৮ রান করা ফ্লেচারকে থামান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ফ্লেচারের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি এবং ২ ছক্কার মার ছিল। ফ্লেচারের বিদায়ের পর মুশফিকুর রহিম সেকুগে প্রসন্নকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন। প্রসন্ন ১৫ বলে ২৩ রান করে মিরাজের বলে আউট হন। শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে খুলনা টাইগার্স। ৬ উইকেটে চট্টগ্রামকে হারানোর মধ্য দিয়ে ৩ ম্যাচ থেকে ২ জয় তুলে নিতে সক্ষম হয় মুশফিকের খুলনা।

অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩০ বল থেকে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। চট্টগ্রামের হয়ে মিরাজ ২টি এবং নাসুম ও শরিফুল ইসলাম একটি করে উইকেট লাভ করেন।

চট্টগ্রাম পর্ব থেকে শুরু হয়েছে ডিআরএসের বিকল্প পদ্ধতি এডিআরএস। ইনিংসের প্রথম বলই পায়ে লাগে কেনার লুইসের। তবে এই বলে রিভিউ নেননি মুশফিকরা। লুইস অবশ্য ৫ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন উইল জ্যাকস ও আফিফ হোসেন। দুজনের জুটি থেকে আসে ৫৫ রান। জ্যাকস ২৩ বলে ২৮ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

দারুণ খেলতে থাকা আফিফ আউট হন একেবারে বাউন্ডারি লাইনের কাছে। বোলার মেহেদীর মাথার উপর দিয়ে মেরেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন তিনি। মাঝে সাব্বির রহমান (৪) মেহেদি হাসান মিরাজ (৬) ও বেনি হাওয়েল (৫) শামীম পাটোয়ারি (২) ফেরেন দুই অঙ্কের ঘর ছোঁয়ার আগেই। শেষ দিকে ১৯ বলে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম ইসলাম। চট্টগ্রামের হয়ে দারুণ বোলিং করেছেন থিসারা পেরারা। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিনি নেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন কামরুল ইসলাম, নাবিল সামাদ, মেহেদি হাসান, সেকুগা প্রসন্না ও ফরহাদ রেজা।

টিআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়