জলাধার বরাদ্দ দিলো রেলওয়ে, উদ্ধার করলেন মেয়র

আগের সংবাদ

অসংক্রামক রোগ বাড়ার জন্য আমরাই দায়ী: মেয়র আতিক

পরের সংবাদ

১৭ বছরেও অসম্পন্ন শাহ কিবরিয়া হত্যার বিচার কাজ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২২ , ৮:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২২ , ৮:১৭ অপরাহ্ণ

সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহ এ এম এস কিবরিয়ার হত্যার বিচার দীর্ঘ ১৭ বছরেও হয়নি। সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার ১৭৩ জন স্বাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৪৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্ভব হয়েছে। এদিকে শাহ এ এম এস কিবরিয়ার তনয় ড. রেজা কিবরিয়া তার বাবা হত্যা মামলার ৩টি চার্জশিটই প্রত্যাখান করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) ছিল সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ১৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী। ২০০৫ সালের এই দিনে তিনি জেলার হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ পরবর্তী জন সভায় গ্রেনেড হামলায় নির্মমভাবে নিহত হন। শাহ এ এম এস কিবরিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কিবরিয়া স্মৃতি পরিষদ, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে।

আজ সকালে বৈদ্যের বাজার স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মোনাজাত, শীতবস্ত্র বিতরণ, শোক র‌্যালি, মানব বন্ধন, চিত্র প্রদর্শনী করা হয়েছে। এছাড়াও পৃথকভাবে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈদ্যের বাজার ট্র্যাজেডির ঘটনায় সেদিন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ তার ভাতিজা শাহ মঞ্জরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী প্রাণ হারান। সাবেক জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতি ও হবিগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ্ব আবু জাহির সহ অর্ধ শতাধিক লোক আহত হন।

১৭ বছরেরও এর সুষ্ঠু বিচার না পাওয়ায় চরম হতাশা বোধ করছেন হবিগঞ্জবাসী। আওয়ামী লীগ আমলে কিবরিয়া হত্যার বিচার কাজ সম্পন্ন না হলে কোনো দিনই এর সুষ্ঠু বিচার হবেনা বলে ধারণা করছেন বিচারপ্রার্থী সহ সাধারণ মানুষ।

মামলার আসামিরা বিভিন্ন কারাগারে থাকায় এবং সাক্ষীরা উপস্থিত না হওয়ায় মামলার বিচারে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানান এডভোকেট সারোয়ার আহমেদ আব্দাল।

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্ব হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন মামলার বাদী তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান জাতীয় পরিষদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ খান। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের দায়েরকৃত মামলাগুলির যথারীতি বিচার সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী।

মামলাটির ৩ দফা চার্জশিট দেয়ার পর হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা দুটি সিলেট দ্রুত বিচার আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। স্বাক্ষীগণকে রাষ্ট্র পক্ষ যথাসময়ে উপস্থিত না করতে পারায় থমকে আছে মামলার বিচার কাজ। উভয় মামলায় ১৭৩ জন স্বাক্ষী থাকলেও হত্যা মামলায় ৪৪ জনের সাক্ষ্য দেয়া হলেও বিস্ফোরক মামলায় সাক্ষ্য প্রদান আরো কম হয়েছে বলে জানা যায়।

রি-এসএসি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়