শাবি আন্দোলন চলমান রাখতে সাড়ে ১১ লাখ টাকার ফান্ড

আগের সংবাদ

দেশের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে সমুদ্র সম্পদ

পরের সংবাদ

শাবি আন্দোলনের মধ্যস্থতা করতে সিলেট যাচ্ছেন জাফর ইকবাল

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১:৪০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২২ , ১:৫২ পূর্বাহ্ণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আন্দোলনের মধ্যস্থতা করতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ক্যাম্পাসে আসছেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ৭১ টিভিকে এ তথ্য তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, ‘স্যার বলেছেন, আনুমানিক ৩ টার দিকে ক্যাম্পাসে সস্ত্রীক এসে পৌঁছাবেন এবং আমাদের সঙ্গে খাবার খাবেন।’

ক্যাম্পাসের একটি সূত্র জানায়, আন্দোলনকারী একজনের সঙ্গে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের কথা হয়েছে। ক্যাম্পাসে মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে তার আগমনের বার্তা।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপাচার্যের বাসভবনের ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা বলেন, অনশনরত শিক্ষার্থীরা অনশন না ভেঙেই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ‘আমরা যারা অনশন করছি, তাদের অনেক চেষ্টা করেও অনশন ভাঙাতে পারেননি কেউ। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাবো।’

শাবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন এখন দেশজুড়ে আলোচনার শীর্ষে। দাবি আদায়ে অনশনে বসেছেন ২৮ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ মিছিলও চলছে।

জাফর ইকবাল দেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক, কলম লেখক, পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের একজন অধ্যাপক ছিলেন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একই বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে তিনি অবসরে চলে যান। তিনি ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ক্যলিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনলজি ও বেল কমিউনিকেশনস রিসার্চে ১৮ বছর কাজ করার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হন।

এদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনশনরত শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) মেডিকেল টিমের সদস্য ও ইন্টার্ন চিকিৎসক মো. নাজমুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, করোনা ঝুঁকি বাড়ায় ২৪ জানুয়ারি মধ্যরাতে আমাদের মেডিকেল টিম প্রত্যাহার করে নিয়েছি। কারণ অনশনকারীদের অনেকেরই করোনার উপসর্গ থাকার পরও তারা টেস্ট করাতে রাজি হচ্ছেন না। স্বাস্থ্যবিধিও মানছেন না। এতে আমরা ঝুঁকিতে পড়ছি। আমাদের অনেককেই আবার হাসপাতালে ফিরতে হয়। ফলে অন্যরাও ঝুঁকিতে পড়ছেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়