করোনায় ১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ২৮.০২

আগের সংবাদ

হাসপাতালে পুনরায় ভর্তি মাহাথির মোহাম্মদ

পরের সংবাদ

শাবি শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২২ , ৫:৩৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২২ , ৭:৩৭ অপরাহ্ণ

শাবিপ্রবির চলমান সংকট নিরসনে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মন্ত্রীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে এ মিটিং শুরু হয়।

এদিকে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই দীর্ঘ সময়ে তাদের কেউই খাবার ও পানীয় গ্রহণ করেননি।

এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শাহরিয়ার আবেদীন নামে আরও আরো একজন ছাত্রের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে। শনিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, ২৩ অনশনকারীর ১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাকি ৭ শিক্ষার্থী উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের পাশে চিকিৎসক ছাড়াও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের ২০ থেকে ২৫ জনের টিম গত পরশু থেকে রয়েছে।

অনশনস্থলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মুস্তাকিম বলেন, ১৭ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এরমধ্যে, এক শিক্ষার্থী কিছুক্ষণ আগে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে অনশনে আবার ফিরেছে। প্রায় তিনদিন পেরিয়ে গেছে অনশন।

ডা. মুস্তাকিম আরও বলেন, ইতোমধ্যে শিক্ষার্থী গ্লুকোজ লেভেল কমে গেছে। এজন্য স্যালাইন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের প্রোটিন লেভেলও কমতে শুরু করেছে উল্লেখ করে ডা. মুস্তাকিম বলেন, একজন মানুষকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রোটিন ও ফ্যাটের প্র‍য়োজন হয়। যা তাদের ঘাটতি হচ্ছে। শীঘ্রই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, হাসপাতালে অবস্থানরত ৩ শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক ও গুরুতর বলেও জানান এ চিকিৎসক।

এর আগে গত রবিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

এ ঘটনায় দুই শ থেকে তিন শ অজ্ঞাত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে আন্দোলনরত দুই শ-তিন শ উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী কর্তব্যরত পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তারা সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ধরে টানাটাানি করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। চারদিক থেকে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়ে। এ ছাড়া পুলিশের ওপর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়