বেপরোয়া নদীখেকোরা

আগের সংবাদ

মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে

পরের সংবাদ

টেকনোলজি নিয়ে তরুণদের যত ভাবনা

জেবা ফারিহা

শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২২ , ১:০১ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২ , ১:০১ পূর্বাহ্ণ

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া একদিনও চলতে পারি না। যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা, বিজ্ঞানের কাজ করা, রিসার্চ করা, কাজের ফলাফল দেখা, দেশ-বিদেশের খবর রাখাসহ সব ক্ষেত্রে আমরা সবাই টেকনোলজির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান বিশ্বে তৃতীয় বিপ্লবের ইতি ঘটছে এবং চতুর্থ বিপ্লবের সূচনা ঘটছে।স্কিল, দক্ষতা, পরিশ্রম এবং অধ্যবসায় ছাড়া এই চতুর্থ বিপ্লবের সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন। আগামী প্রজন্মের সবাই টেকনোলজির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলবে। সেক্ষেত্রে সবার টেকনোলজি সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই সময়ে বাংলাদেশের তরুণদের এগিয়ে থাকতে এআই, মেশিন লার্নিং, বিগ ডেটার মতো আধুনিক বিষয়গুলো শেখার দিকে নজর দিতে হবে। বাংলাদেশের সম্পদ তরুণ জনশক্তি। ডিজিটাল মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিং, টেকনোলজি, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট, আইসিটি স্টার্টআপ প্রভৃতি চতুর্থ বিপ্লব সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। টেকনোলজির যুগে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা রোবট ব্যবহার করছে তাদের কোম্পানিতে। এতে করে বিশাল অঙ্কের মানুষ তাদের কর্মক্ষেত্র হারিয়ে ফেলছে। এর কারণ একটাই টেকনোলজি সম্পর্কে দক্ষতার অভাব। এতে করে ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে; বেকারত্ব বাড়বে। টেকনোলজি নিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য সরকার কাজ শুরু করে দিয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে ১৬০টি স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেছে। আরো ১৫০টি স্টার্টআপ পাইপলাইনে আছে। ২০২১ সালে রেমিট্যান্স খাতে বাংলাদেশের আয় ২২.০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশে এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ। আবার আইসিটি বিভাগ, প্রশিক্ষণ বা কাজের জন্য শুধু বিনিয়োগই করছে না পাশাপাশি যে কোনো সমস্যার সমাধানও করছে। এতে করে বাংলাদেশের তরুণরা অনেক এগিয়ে রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে আইটিইউ অ্যাওয়ার্ড, সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড, গার্টনার এবং এ টি কারনিসহ বেশকিছু সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। তরুণদের হাতেই চতুর্থ বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে প্রায় অনেক ক্ষেত্রে তরুণরা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছে। আমাদের তরুণদের উচিত এই চতুর্থ বিপ্লব মোকাবিলা করার জন্য টেকনোলজি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা। ডিজিটাল মার্কেট প্লেস কীভাবে কাজ করে, ফ্রিল্যান্সিং জানা এবং পরিশ্রম করা। যে কোনো কাজেই দীর্ঘসূত্রতা না করা। সময়ের কাজ সময়ে করা। নিজের ওপর জোর বিশ্বাস স্থাপন করা। কোনো কাজে ভেঙে পড়লে সেখান থেকে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করা। তাহলেই বেকারত্ব কমবে এবং চতুর্থ বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবিলা করতে সক্ষম হব।

জেবা ফারিহা : শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়