করোনায় বিধিনিষেধ মানাতে রাজধানীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত

আগের সংবাদ

‘অনির্বাচিত সরকার কোনো আইন পাস করতে পারে না’

পরের সংবাদ

কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৬ মার্চ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২২ , ২:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২ , ২:১৮ অপরাহ্ণ

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ৬ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) মামলাটির অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকার কারণে আদালতে হাজির হতে পারেননি। তাই তার আইনজীবীরা সময় চেয়ে আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক এ এইচ এম রুহুল ইমরান অভিযোগ গঠনের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ এনে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলায় প্রথমে আসামি ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (মৃত), সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (মৃত), সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী (মৃত), সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী আলী আহসান মো. মুজাহিদ (মৃত), এম কে আনোয়ার (মৃত), এম শামসুল ইসলাম (মৃত), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমিনুল হক (মৃত), একেএম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এসআর ওসমানী, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন।

তবে আসামিদের মধ্যে মৃতদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। বর্তমানে মামলাটিতে ১০ জন আসামি রয়েছেন। পরে একই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবুল কাসেম ফকির অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এ সময় অভিযোগে বলা হয়, কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে।

টিআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়