আমার ‘ইস্যু’ নিয়ে মিডিয়া ব্যবসা করেছে: নুসরাত

আগের সংবাদ

দ্বিতীয় ম্যাচে কেনিয়াকে উড়িয়ে দিল বাংলার মেয়েরা

পরের সংবাদ

পরিবহন শ্রমিকদের করোনা টিকা দেয়া শুরু

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২২ , ১২:৩৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২২ , ১২:৫৪ অপরাহ্ণ

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের দেয়া বিধিনিষেধের একটি ধারায় বলা হয়েছিল গণপরিবহনের চালক এবং তার সহকারীকে টিকা কার্ড গলায় ঝুলিয়ে গণপরিবহনে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ তখন পরিবহন শ্রমিকদের দ্রুত টিকা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে বুধবার থেকে পরিবহন শ্রমিকদের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক।

তিনি বলেন, আজ থেকে পরিবহন শ্রমিকদের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সবাইকে আমরা টিকার আওতায় আনবো। এ পর্যন্ত আমরা ৯০০ জনের তালিকা পেয়েছি। আমাদের টিকার কোনো সংকট নেই।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, সড়ক পরিবহন সেক্টরে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিক রয়েছে। এই শ্রমিকদের কত ভাগ ইতিপূর্বেকার নিয়েছে তা আমরা জানিনা। অনেকেই ন্যাশনাল আইডি কার্ডের জটিলতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্বেও টিকা নিতে পারেনি। এসব কারণে আমরা পরিবহন সেক্টরের শ্রমিকদের টিকার আওতায় আনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। এরই আওতায় আজ থেকে পরিবহন শ্রমিকদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে সব পরিবহন শ্রমিকদের অধিকার আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৯০০ জনের একটি তালিকা করে দেয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায় এই ৯০০ জনকে টিকা দেয়া হবে। পরবর্তীতে আবারও তালিকা করে দেয়া হবে এবং এভাবেই তালিকা অনুযায়ী পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে টিকাদান কর্মসূচি চলতে থাকবে।

পরিবহন শ্রমিকরা জানান, যাত্রীবাহী বাসে কর্মরত প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক রয়েছে। গণপরিবহনের কত শতাংশ কর্মী টিকা নিয়েছেন, সেই পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। এ অবস্থায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার সরকার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। পরবর্তীতে গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল গণপরিবহন শ্রমিকদের মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন থেকে দেয়া তালিকা অনুযায়ী টিকাদান কর্মসূচির অব্যাহত থাকবে।

পরিবহন শ্রমিকরা জানান, অধিকাংশ পরিবহনশ্রমিকদের জাতীয় পরিচয় পত্র নেই। কারণ তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার প্রয়োজন পড়ে না। অনেকেরই জাতীয় পরিচয় পত্র নেই আবার কেউ কেউ হারিয়ে ফেলেছেন। এই জটিলতার কারণে পরিবহন শ্রমিকদের বেশিরভাগেরই টিকা নেয়া সম্ভব হয়নি। এখন টিকা দেয়ার বিশেষ কর্মসূচির আওতায় সব পরিবহন শ্রমিক টিকা কার্যক্রমের আওতায় আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবহন শ্রমিক নেতা হানিফ খোকন বলেন, গনপরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা একটি ভালো উদ্যোগ। এই কর্মসূচি সারাদেশে চালু রাখা উচিত। প্রতিটি জেলা পর্যায়ে টার্মিনালে পরিবহন শ্রমিকদের টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

আর- ডিডিএম / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়