আইভীকে অভিনন্দন, ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তৈমুরের

আগের সংবাদ

আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে রপ্তানির পদক্ষেপ: বাণিজ্যমন্ত্রী

পরের সংবাদ

শাবি বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২২ , ৯:১৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২২ , ৯:১৪ অপরাহ্ণ

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এ নির্দেশ দেন। এছাড়া বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট পদত্যাগ করেছেন। তার পরিবর্তে নতুন প্রভোস্ট হিসেবে নাজিয়া চৌধুরীকে নিয়োগ করা হয়েছে।

এদিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, সকল বিভাগের প্রধান, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনার পরিচালক এবং প্রক্টর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা ছাত্রীদের দাবি মেনে নেন এবং সাত দিনের সময় চান কিন্তু আন্দোলনকারীরা তা না মানায় শিক্ষকরা ওই স্থান ত্যাগ করেন।

এরপর আন্দোলনকারীরা শিক্ষকদের পেছন পেছন স্লোগান দিয়ে চেতনা ৭১ এর সামনে থেকে উপাচার্য ভবনের দিকে এগিয়ে আসেন। এ সময় উপাচার্য কার্যালয় থেকে নামলে তারা উপাচার্যের পথ অবরোধ করে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে শিক্ষকদের সহায়তায় উপাচার্যকে আইআইসিটি ভবনের দিকে নিয়ে যাবার সময় আন্দোলনকারীদের হামলার শিকার হয় উপাচার্যসহ কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক ও সংবাদকর্মীরা।

পরে উপাচার্য আইআইসিটি ভবনে গেলে আন্দোলনকারীরা ওই ভবনের সদর দরজায় তালা মেরে দেন এবং কাউকেই ভেতরে প্রবেশ দেয় না। সবশেষ দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি শিক্ষা ভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন।

এরপর সন্ধ্যায় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ মুহুর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড, শর্টগানের গুলি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। পরে আইআইসিটি ভবন থেকে তালা ভেঙে উপাচার্যকে উদ্ধার করে পুলিশ। সংঘর্ষ চলাকালে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও পুলিশেরও বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবিসহ তিন দফা দাবি আদায় এবং ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগে রাস্তা অবরোধ করে রাখে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

পরে দুপুর পৌনে তিনটার দিকে গোল চত্বরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আলমগীর কবির, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহীর উদ্দীন আহমদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মহিবুল আলম।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়