বাংলাদেশের আইটেম গান করে আলোচনায় নুসরাত (ভিডিও)

আগের সংবাদ

রাজধানীতে স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে গণপরিবহন

পরের সংবাদ

আপিল শুনানির আগে আটক জোকোভিচ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:২০ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২২ , ১২:২০ অপরাহ্ণ

টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচের ভিসা বাতিল নিয়ে এখনও আপিল শুনানি হয় নি। তার আগেই তাকে আটক করেছে অস্ট্রেলিয়া।

রবিবার (১৬ জানুয়ারি) জকোভিচের আপিল শুনানি হবে। এই শুনানিতেই নির্ধারণ হবে জকোভিচ (৩৪) অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেলতে মেলবোর্নে থাকতে পারবেন কিনা।

মহামারীর মধ্যে টিকা না নেয়া এ সার্বিয়ানকে জনসাধারণের জন্য হুমকি অ্যাখ্যায়িত করে অস্ট্রেলিয়ার সরকার দ্বিতীয় দফা তার ভিসা বাতিল করে দেয়ার পর বহিঃসমর্পণের মুখে পড়েন তিনি। খবর বিবিসির।

জকোভিচের আইনজীবীরা অস্ট্রেলিয়া সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক অ্যাখ্যা দিয়ে আপিল করে।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সূচি অনুযায়ী সোমবারই মেলবোর্নে জকোভিচের খেলার কথা।

তিনি যদি এবার দশমবারের মতো টুর্নামেন্টটি জেতেন, তাহলে পুরুষ টেনিসের ইতিহাসে ২১টি বড় শিরোপা জিতে খেলাটির সবচেয়ে সফল তারকায় পরিণত হবেন।

তবে শেষ পর্যন্ত তিনি খেলতে পারেন কিনা, তা নির্ধারিত হবে তার ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়া শুনানির রায়ে।

আপিলে হেরে গেলে র‌্যাংকিংয়ে সবার উপরে থাকা এ পুরুষ টেনিস খেলোয়াড়কে অস্ট্রেলিয়া ছাড়তে হবে, পাশাপাশি তিন বছর অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাবেন না তিনি।

অনলাইনে বিচারিক প্রক্রিয়ার শুনানির পরপরই শনিবার জকোভিচের আইনজীবীরা জানান, এ টেনিস তারকাকে মেলবোর্নের অভিবাসী আটক কেন্দ্রেই রাত কাটাতে হবে।

শনিবার প্রকাশিত আদালতের নথিতে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনমন্ত্রী অ্যালেক্স হক জকোভিচের ভিসা বাতিলের পদক্ষেপ নেন।

অস্ট্রেলিয়ার এ মন্ত্রীর ভাষ্য, টিকা না নেয়া এই টেনিস খেলোয়াড়ের উপস্থিতি কোভিড-১৯ টিকার বিরোধিতা উসকে দিতে পারে।

তার উপস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার কমিউনিটির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হতে পারে বলে মনে করছি আমি, জকোভিচ ও তার আইনজীবীদেরকে লেখা চিঠিতে বলেছেন হক।

গত ৬ জানুয়ারি জোকোভিচ মেলবোর্নের টুলামারিন বিমানবন্দরে নামার পর তাকে আটকে দেয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা বসিয়ে রেখে অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, টিকার শর্ত শিথিলের কোনো প্রমাণ জোকোভিচ দেখাতে পারেননি, সুতরাং ভিসা বাতিল করে তাকে ফেরত পাঠানো হবে।

পরে বিমানবন্দর থেকে জোকোভিচকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি হোটেলে রাখা হয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হেফাজতে। ফেরত পাঠানো এড়াতে অস্ট্রেলিয়ার হাই কোর্টে আবেদন করেন জোকোভিচ।

অস্ট্রেলিয়ার একটি আদালত ১০ জানুয়ারি সেই আবেদনের শুনানি করে জোকোভিচকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ভিসা বাতিল করে তাকে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হেফাজতে আটক রাখার যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করারও অনুমতি দেয় আদালত।

আদালতে জয় পেলেও জোকোভিচের পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ ছিল না, কারণ অভিবাসনমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতায় ফের তার ভিসা বাতিলের সুযোগ ছিল। শুক্রবার সে কাজটিই করেছেন অ্যালেক্স হক।

দেশটির অভিবাসন আইন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে কাউকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন অভিবাসনমন্ত্রী।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন পরে জানান, সতর্ক বিবেচনার পরই জোকোভিচের ভিসা বাতিলের এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

টিআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়