প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন সুন্দর জীবন পায়, তাই করলাম: প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

সন্তান জন্ম দেওয়ার দরকার কেন, অন্তঃসত্ত্বা পরী মনিকে তসলিমা

পরের সংবাদ

বরিস জনসনের পদত্যাগ চাইছেন দলের নেতারা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২২ , ১২:৩০ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২২ , ১২:৩০ অপরাহ্ণ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ব্রিটেনে যে লকডাউন দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যেই ভোজসভার আয়োজন করেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তিনি ক্ষমা চাইলেও এতে সন্তুষ্ট নন খোদ তার দলের নেতারা। তারা এখন সরাসরি বরিসের পদত্যাগ চাইছেন।

বিবিসিতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা বরিস জনসনের পদত্যাগ চেয়েছেন; যদিও উপপ্রধানমন্ত্রী ডোমিনিক রাব বরিসের পক্ষ নিলেও দলের অনেকেই তার পদত্যাগ দাবি করছেন।

এর মধ্যে রয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির স্কটল্যান্ডের নেতা ডগলাস রোস, আইনপ্রণেতা উইলিয়াম রেগ, ক্যারোলিন নোকস, রজার গ্যালে প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী বরিস হাউস অব কমন্সে ক্ষমা চাওয়ার পর তার সঙ্গে কথা বলেছেন রোস। তিনি বলেন, বরিসের সঙ্গে তার শক্ত কথাবার্তা হয়েছে। রোস একই সঙ্গে হাউস অব কমন্সের আইনপ্রণেতা এবং স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতা।

রোস বলেন, তিনি ১৯২২ কমিটির কাছে লিখবেন, যাতে বরিসের নেতৃত্ব নিয়ে আস্থা ভোটের আয়োজন করা হয়।

রোস আরও বলেন, বরিস জনসন একজন প্রধানমন্ত্রী। এটা তার সরকার, যারা কিনা আইন বাস্তবায়নে কাজ করছে। কিন্তু তিনি যে ধরনের কাজ করেছেন, সে জন্য তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

১৯২২ কমিটি মূলত কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বে নির্বাচনে কাজ করে থাকে। এর আনুষ্ঠানিক নাম কনজারভেটিভ প্রাইভেট মেম্বারস কমিটি। এই কমিটির কাছে যদি দলটির ৫৪ জন আইনপ্রণেতা চিঠি লেখেন, তবে বরিসের নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

বরিস জনসন ওই ভোজসভার আয়োজন করেছিলেন ২০২০ সালের ২০ মে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের ওই আসরে বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস উপস্থিত ছিলেন। অতিথি ছিলেন শতাধিক। ওই সময় যুক্তরাজ্যে কোনো আয়োজনে একসঙ্গে এত মানুষের উপস্থিতি আইনত নিষিদ্ধ ছিল।

গত সোমবার ওই আয়োজনসংক্রান্ত একটি ই-মেইল ফাঁস হলে এ তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এ কারণে লকডাউনের বিধি উপেক্ষা করে এমন আয়োজনের খবর প্রকাশ হওয়ার পর বরিস জনসন এ বিষয়ে আরেকজন জ্যেষ্ঠ আমলা সুয়ে গ্রেকে তদন্তের ভার দিয়েছেন। এ ছাড়া নিজে পার্লামেন্টে ক্ষমা চেয়েছেন বরিস। তিনি বলেন, জনগণের ক্ষোভটা তিনি বুঝতে পেরেছেন।

টিআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়