মাভাবিপ্রবি’র উপাচার্য জাবি অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন

আগের সংবাদ

ঢাকাবাসীকে শতভাগ পানির নিশ্চয়তা দিতে পেরেছি: তাকসিম

পরের সংবাদ

‘নরকের দুয়ার’ বন্ধের নির্দেশ তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্টের

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০২২ , ৯:১৮ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২২ , ৯:১৮ অপরাহ্ণ

তুর্কমেনিস্তানের মরুভূমিতে থাকা ‘নরকের দুয়ার’ নামে পরিচিত বিশাল একটি অগ্নিকুণ্ডকে নিভিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলী বার্দিমুহামেদা। এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ হারাচ্ছি যার জন্য আমরা উল্লেখযোগ্য মুনাফা পেতে পারি এবং আমাদের জনগণের কল্যাণে তাদের ব্যবহার করতে পারি। তাই আগুন নেভাতে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’

এই অগ্নিকুণ্ডটি মূলত একটি জমে থাকা গ্যাসের গর্ত। কয়েক দশক ধরে এটি জ্বলছে। পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত কারণে এবং একই সঙ্গে গ্যাস রপ্তানি বাড়ানোর জন্যই এটি বন্ধ করে দিতে চান প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলী বার্দিমুহামেদা।

বর্তমানে অগ্নিকুণ্ডটি তুর্কমেনিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ

কারাকুম মরুভূমিতে ‘দারভাজা’ নামের এই গর্তটিকে ঘিরে রয়েছে নানা রহস্য। স্থানীয় ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, বিশাল গর্তটি ১৯৬০ এর দশকে তৈরি হয়েছিল। তবে শুধুমাত্র ১৯৮০-এর দশকে এটির ভেতরে আগুন জ্বলে ওঠে। বর্তমানে অগ্নিকুণ্ডটি তুর্কমেনিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ।

অনেকে আবার বিশ্বাস করেন যে, ১৯৭১ সালে সোভিয়েত সামরিক মহড়ার সময় করা ভুলের কারণে এটি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কানাডার অভিযাত্রী জর্জ কাউরুনিস ২০১৩ সালে গর্তের গভীরতা পরীক্ষা করে বলেছিলেন এটি কীভাবে শুরু হয়েছিল তা আসলে কেউ জানে না।

এর আগেও আগুন নেভানোর জন্য অসংখ্যবার চেষ্টা করা হয়েছে ‘নরকের দুয়ার’ নামে পরিচিত এই বিশাল অগ্নিকুণ্ডকে। ২০১০ সালেও বার্দিমুহামেদা বিশেষজ্ঞদের আগুন নেভানোর জন্য একটি উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

২০১৮ সালে, প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এটির নামকরণ করেন ‘শাইনিং অফ কারাকুম’।

ডি-ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়