'নরকের দুয়ার' বন্ধের নির্দেশ তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্টের

আগের সংবাদ

শিল্পকলায় ‘এ নিউ টেষ্টামেন্ট অব রোমিও এন্ড জুলিয়েট’

পরের সংবাদ

ঢাকাবাসীকে শতভাগ পানির নিশ্চয়তা দিতে পেরেছি: তাকসিম

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০২২ , ৯:২২ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২২ , ৯:২২ অপরাহ্ণ

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেছেন, আমরা ঢাকা শহরের মানুষের জন্য আমরা শতভাগ পানির নিশ্চয়তা দিতে পেরেছি। সেই অবস্থায় আমরা পৌঁছে গেছি।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনে ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডুরা) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তাকসিম এ খান বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি গণমুখী, পরিবেশবান্ধব ও টেকশই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে। আমাদের দক্ষতা, সক্ষমতা এবং একাগ্রতায় এই তিনটি জিনিস থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও চান চেইঞ্জ ম্যানেজমেন্ট। আমরা সেটা করতে পেরেছি। আমাদের প্রায় সব কাজ এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে হচ্ছে। আমার ঢাকা শহরের মানুষের জন্য পানি ব্যবস্থার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (টেকনিক্যাল) একেএম শহীদ উদ্দিন, পরিচালক (উন্নয়ন) আবুল কাশেম, সচিব শারমিন হক আমির, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক উত্তম কুমার রায়, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা নিশাত মজুমদার, উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা এসএম মোস্তফা তারেক, তথ্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের ও স্টাফ অফিসার বদরুল আলম। ডুরা প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ও ভোরের কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার মো. রুহুল আমিন, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম, হাসিব মাহমুদ শাহ, সাধারণ সম্পাদক শাহেদ শফিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়শ্রী ভাদুড়ী, অর্থ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লা সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক নিলয় মামুন, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বারেক কায়সার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তোফাজ্জল হোসেন রুবেল, রফিকুল ইসলাম রনি, সদস্য সাদ্দাম হোসাইন ও আবির হাকিম।

তাকসিম বলেন, ওয়াসায় এখন মেজর কোনো সমস্যা নেই। তবে কিছু মাইনর সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। এজন্য সবার সহযোগিতা দরকার। আমাদের কোনো কিছুই গোপনীয় নেই। ঢাকা ওয়াসার কেউ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষাভাবে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। তবে ভুল হতেই পারে। ভুলের মাধ্যমে লসও হতে পারে। কিন্তু সামান্য দুর্নীতি হলে তা সহ্য করা হয় না। আমরা রিসার্স এবং উন্নয়নে অনেক টাকা ব্যয় করি এবং করছি। এতে আমরা অনেক সফলও হয়েছি। যে কারণে ঢাকা ওয়াসা এখন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে রোল মডেল। নেপাল তাদের পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের ওয়াসা থেকে টিম নিয়েছে।

তাকসিম বলেন, এক সময় পানির জন্য কলসি মিছিল হতো। সেনাবাহিনী দিয়ে পাম্প পাহারা দেয়া লাগতো। এখন এসব নেই। সবার ঘরে ঘরে পানি পৌঁছে যাচ্ছে। আমরা সব সিস্টেম ডিজিটাল করেছি। কোনো ঠিকাদারকে বিলের জন্য এখন ওয়াসা ভবনে আসতে হয় না। পেনশনের জন্যও কাউকে আর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ওয়াসা ভবনে আসা লাগে না। সব বিল ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। ওয়াসায় কোনো কাজে চেকের ব্যবহার নেই। আমাদের সফলতা দেখে এখন বড় বড় প্রতিষ্ঠান ঋণ দিতে বসে থাকে। কারণ আমরা সক্ষমতা অর্জন করতে পেরেছি।

ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (কারিগরি) একেএম সহিদ উদ্দিন বলেন, আমাদের অনেক ভাল কাজ হয়েছে। সেগুলোর প্রচার নেই। সেবা সহজ করতে আমরা নাগরিকদের জন্য হটলাইন নাম্বার চালু করেছি। অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করি। পানির দুর্গন্ধ বিষয়ে তিনি বলেন, শীতকালে শীতলক্ষ্যার পানি একেবারেই আলকাতরার মতো কালো হয়ে যায়। সেই পানিকে শোধন করে আমরা বিশুদ্ধ করে সরবরাহ করে থাকি। পানি ফুটিয়ে না খাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের লাইনে বিশুদ্ধ পানি থাকে। কিন্তু সেই পানি বাসার ট্যাঙ্কি বা রিজার্ভারে গিয়ে নষ্ট হয়। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে পানির ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করে না।

তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে খোঁড়াখুড়ির কারণে পাইপ লিকেজ হয়ে যায়। তবে এখন আর পাইপ লিকেজ হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ আমরা অনেক উন্নতমানে পাইপ বসিয়েছি। আমরা লাইনের পানি টেস্ট করে দেখাতে পারবো আমাদের পানি বিশুদ্ধ। কিন্তু এটার গ্যারান্টি দেয়া যাবে না, কারণ যে কোনো মুহূর্তে লাইনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়