ছুটির দিনের সন্ধ্যায় বাতিঘরের নাটক ‘মাংকি ট্রায়াল’

আগের সংবাদ

জরায়ুমুখের ক্যানসার সচেতনতা দিবস শনিবার

পরের সংবাদ

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বক্তারা

সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা স্বাধীনতাকে ম্লান করছে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২২ , ৯:৪৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২২ , ৯:৪৫ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার অর্ধশতক বাংলাদেশের অর্জন অনেক। কিন্তু অর্ধশতক পরেও ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে যখন তাদের নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং অধিকার আদায়ে পথে নামতে হয়, তখন সেই অর্জন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়ে যায়। যা আমাদের বাঙালি জাতির জন্য লজ্জার। নিজের অধিকার আদায়ে দেশত্যাগ না করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজের বিশিষ্টজনরা। সেই সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দেন তারা।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ধর্মীয়-জাতিগত বৈষম্যবিরোধী মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দশম ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের আলোচনা সভায় বক্তারা এ তাগিদ দেন।

‘অস্তিত্বের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ’ হবার আহ্বান জানিয়ে সকালে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে দুদিনব্যাপী শুরু হয় এ সম্মেলন। সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। তিন পর্বের অনুষ্ঠানে বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঐক্য পরিষদের সভাপতি-ত্রয় ঊষাতন তালুকদার, ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক ও নির্মল রোজারিও। বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি-২০২২-এর চেয়ারম্যান পঙ্কজ ভট্টাচার্য, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি ও সংসদ সদস্য হাসানুল হক ইনু, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, জাতীয় পার্টির নেতা সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে।

সংগঠনের লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত। প্রখ্যাত কলামিস্ট আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ভার্চুয়ালি সভায় বক্তব্য রাখেন এবং শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

রাষ্ট্র জোর করে একটি গোষ্ঠীকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে রেখেছে মন্তব্য করে প্রবীণ রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, আজ মানবতা-মানবাধিকার, সাম্যর বড়ই দুর্দিন। এটি কোনো জনগোষ্ঠীর একক সমস্যা নয়। রাষ্ট্র জোর করে একটি গোষ্ঠীকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে রেখেছে। এবারের দুর্গা পূজার সময় হিন্দুদের উপর জাতীয়ভাবে যে আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে তা এর আগে কখনো হয়নি। বিভিন্ন সময় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতন সহিংসতা চালানো হয়েছে রাষ্ট্র সেখানে নির্বিকার থাকে। আমরা মানবিক রাষ্ট্র চাই। এখন আমাদের আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধ বাঁচানোর। মুক্তিযুদ্ধকে পুরজ্জীবিত করতে হবে।

শুভেচ্ছা বার্তায় আব্দুল গাফফার চৌধুরী নিজেদের অধিকার আদায়ের বিষয়ে শুধু মাত্র আওয়ামী লীগের উপর নির্ভর না করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বন জানান। তিনি বলেন, দেশত্যাগ নয়; দেশে থেকেই অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকতে হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আন্দোলন করে না বলেই হেফাজতসহ দুষ্টগোষ্ঠীরা মাঠ দখল করে নিচ্ছে।

উদ্বোধনী ভাষণে ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বাহাত্তরের সংবিধান পুনপ্রতিষ্ঠার দাবির সাথে ঐক্যমত পোষণ করে তিনি বলেন, আমি বলতে চাই এই বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ নয়। এই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ নয়। এই বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ নয়। আমি বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চাই। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ চাই। মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

ঐক্য পরিষদের ‘সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবির সাথে দ্বিমত পোষণ করে তিনি বলেন, আমি সবিনয়ে এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। ধর্ম নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিরোধীতা করছি। আমি পরিপূর্ণ ইসলাম ধর্মের প্রেক্ষাপটে বলতে চাই, ধর্ম নিয়ে মন্ত্রণালয় থাকার মানেই হচ্ছে এই রাষ্ট্র ধর্মকে গুরুত্ব দেয়া।

রাশেদ খান মেনন বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ এবং উন্নয়নের মহাসড়কে বলে আমরা বলছি কিন্তু দুর্ভাগ্য জনক হলো ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বৈষম্য ও বঞ্চনার কথা বলতে হচ্ছে। এখনো আমরা রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামের বিষয়টি থেকে বের হতে পারিনি। এটি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। সংবিধানে যদি সাংঘর্ষিক ধারা থাকে তাহলে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দেবেই। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের যে চেষ্টা তা শুধু বাংলাদেশেই নয় এই উপমহাদেশে চলছে। তাই এককভাবে নয় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই জঙ্গীবাদ সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বছর ইতোমধ্যে আমরা অতিক্রম করছি। এ সুদীর্ঘ সময়ে দেশের প্রভূত অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে, জাতিসংঘের প্লেনারি সভা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশ অনুমোদন করেছে। কিন্তু মননে, মানসিকতায় গোটা জাতি অনেক দূর পিছিয়ে পড়েছে। ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িকতার ছোবল সবক্ষেত্রে সরকারে, প্রশাসনে, সংবিধানে, রাজনীতিতে এমনকি সমাজেও। যে বাঙালি জাতিসত্তার পরিচয়ে জাতির জনকের নেতৃত্বে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম পরিচয় নির্বিশেষে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, আত্মত্যাগ করেছিলো, সাংবিধানিকভাবে আজ তাদের পরিচয় মুখ্য হয়ে উঠেছে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান। অথচ সেদিন ধর্ম পরিচয় ছিলো আমাদের সবার ব্যক্তিগত বিশ্বাস। প্রথম ও প্রধান পরিচয় ছিলো আমরা সবাই বাঙালি। এই বাঙালিত্ববোধ ও বাঙালির শাশ্বত সাংস্কৃতিক চেতনা অবরুদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে এক মোহনায় মিলিত করে আর তা হলো- স্বাধীনতা। আজ তা থেকে স্বদেশভূমি অনেক অনেক দূর ছিটকে পড়েছে।

রানা দাশগুপ্ত আরও বলেন, মনে হয়, আজকের এ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সাধের ও স্বপ্নের বাংলাদেশ নয়। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার পর সেই যে স্বদেশ উল্টা পথে হাঁটতে শুরু করে রাজনৈতিক সামাজিক বাস্তবতায় আজও তা থেকে উল্লেখ করার মত উত্তরণ ঘটেনি। মোদ্দাকথা, স্বাধীনতার অর্ধশতক পরেও ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভূমির উপর নিরঙ্কুশ স্বত্ব অধিকার প্রতিষ্ঠা পায়নি। আর দায়মুক্তির সংস্কৃতি নিরবচ্ছিন্ন ভাবে অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রবলভাবে উৎসাহিত হয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি তাদের তৎপরতাবেপরো অভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অস্তিত্ব রক্ষা আজকের বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

হাসানুল হক ইনু বলেন, সংবিধানের ক্ষত বিক্ষত আত্মা নিয়ে আমরা চলছি। অসাম্প্রদায়িক দলের মধ্যে একটু ক্ষয় বা ঘুন ধরেছে। এই ঘুন ধরার জন্য আমরা আতঙ্কিত। জঙ্গিবাদকে বুকে নিয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে উঠা যায় না। ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে আমরা সংবিধানের উপর থেকে বুটের কিছু ছাপ মোছার চেষ্টা করেছি। সংশোধন করে ফেলেছি এ দাবি আমরা করিনি। সংবিধানে সাম্প্রদায়িকতার যে ছাপ আছে তা অবশ্যই আজ হোক কাল হোক মুছে যাবেই।

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা কথাও বলা হচ্ছে আবার রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামও রাখা হয়েছে। এটি দ্বৈতনীতি। যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে পুনজ্জিবীত করতে হবে।

নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, সংবিধান থেকে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম কোনো সরকারই বের করতে পারবে না। তবে আমি বিশ্বাস করি এ দেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না। রাষ্ট্র ধর্ম যদি রাখতেই হয় সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও বৈষম্য বিলোপ আইন এবং জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করতে হবে। সংখ্যালঘুরা কি তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে জানেন? ১২০ টি আসনের নিয়ামক শক্তি এই সংখ্যালঘুরা।

অ্যারোমা দত্ত বলেন, বাহাত্তরের সংবিধানে আমাদের ফিরে যেতেই হবে। দোষারোপের জায়গা থেকে বেরিয়ে আমরা নিজেদের চাওয়া পাওয়াগুলো এক সাথে বসে তুলে ধরলে সুফল আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ৫০ বছরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মতো একটি সংগঠন থাকা আমাদের জন্য পরিতাপের। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুধু ব্যক্তি তাকেই হত্যা করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের দর্শনকেও হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানি রাজনৈতিক দর্শনকে যারা লালন করে, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে সাম্প্রদায়িক করতে চায় তাদের শেকড় সমূলে উৎপাটন করতে না পারলে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ পুননির্মাণ সম্ভব নয়।

মিজানুর রহমান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তিতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ব্যানারে সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও তাদের অধিকার আদায়ে মাঠে নামার বিষয়টি স্বাধীনতার অর্জন অনেকটা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলতেন, যেহেতু আমাদের দাবি ন্যায সেহেতু আমাদের বিজয় নিশ্চিত। বঙ্গবন্ধুর এই কথা এই সম্মেলনে আমিও বলতে চাই।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, উন্নয়নের সাথে মানবাধিকারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এটি যারা দেখেন বা বুঝতে চান না তাদের মনে রাখতে হবে এমনটা না হলে টেকসই উন্নয়ন কখনো হবে না। আমাদের অধিকার বুঝে নিতে এবং আদায়ে আগামী দুই বছর আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য নাগরিক সাম্যর প্রয়োজন।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, দুই স্বৈরাচারী সরকার দেশের যে সর্বনাশ করেছেন তা আমরা টেনে নিয়ে বেড়াচ্ছি। সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এই সমস্যা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কারো একক সমস্যা নয় এটি বাংলাদেশের অস্তিত্ব সংকটের।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, সংখ্যালঘুরা কেনো দেশত্যাগ করছেন সেই কারণটি আমাদের অনুসন্ধান করতে হবে। রাষ্ট্র ধারাবাহিক ভাবেই বৈষম্যমূলক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকায় সংখ্যালঘুরা অধিকার বঞ্চিত হচ্ছেন তা আমি মনে করি না।

সকালে সম্মেলন শুরু হয় গণসঙ্গীতের মধ্য দিয়ে। একে একে গণসঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। ১০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে অতিথিরা অবমুক্ত করেন শান্তির প্রতীক ১০টি পায়রা। উদ্বোধনের পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শাহবাগ মোড় হয়ে আবারো ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। শনিবার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টায় একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে কাউন্সিল অধিবেশন। সারাদিন ধরে তা চলবে।

আর- এসডি / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়