২০ বছর ধরে পেটে কাঁচি বয়ে বেড়াচ্ছেন বাচেনা খাতুন

আগের সংবাদ

মুরাদের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ স্ত্রীর

পরের সংবাদ

ব্যবসার খরচ কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২২ , ৬:০৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২২ , ৬:০৪ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো হলে দেশে ব্যবসার খরচ অন্তত পাঁচ শতাংশ হ্রাস এবং বিদেশি উদ্যোক্তাদেরও বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়বে। পাশাপশি বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরসহ দেশের অন্যান্য অর্থনৈতিক অঞ্চলে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ বাড়বে।

বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে পোর্টস অ্যান্ড শিপিং বিষয়ক এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় এ আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী যানের গতি ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এই গতি দ্বিগুণ করা গেলে রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে ছয় শতাংশ।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা রাসায়নিক খালাসের আগে আলাদাভাবে পরীক্ষা করাতে হয়। অথচ চট্টগ্রাম কাস্টমসে পর্যাপ্ত পরীক্ষাগার নেই। এ পরীক্ষা করাতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগে। বন্দরসংক্রান্ত এসব সমস্যা সমাধানে ত্বরিত পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

বন্দরকেন্দ্রীক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী সমাধান বের করতে স্ট্যান্ডিং কমিটিকে তাগিদ দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

এসময় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ভবিষ্যতে আরও কিছু বন্দরের কার্যক্রম শুরু হবে। পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে পারলে এসব বন্দরের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশের অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে গাড়ি আমদানি করলে মোংলা বন্দরের তুলনায় দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মো. হাবীব উল্লাহ ডন। একই দেশের বিভিন্ন বন্দরে ভিন্ন ভিন্ন ভাড়ার হার অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর-ইন-চার্জ এ এম মাহবুব চৌধুরী জানান, গত কয়েক বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের মুনাফা কয়েকগুণ বেড়েছে। অলাভজনক সেবামূলক সংস্থা হয়েও, মুনাফার পরিমাণ বাড়াতে আবারো ট্যারিফ বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ট্যারিফ না বাড়ানোর আহ্বান জানান কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ আকতার। একই সঙ্গে তিনি জানান, বেশিরভাগ ট্যারিফ ডলারে পরিশোধ করতে হয়। তাই ট্যারিফ বাড়লে, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয়ও বাড়বে। তাছাড়া বিদেশী জাহাজ মালিকরাও এ সুযোগে ভাড়া বাড়িয়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

মুক্ত আলোচনায়, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের গতি বাড়াতে বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সহযোগিতা আশা করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়