টিকা ছাড়া স্কুলে যাওয়া যাবে না

আগের সংবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ বৃত্তি পেলেন ১৫২ শিক্ষার্থী

পরের সংবাদ

নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশীকে জামায়াত নেতার সমর্থন

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২২ , ২:২৪ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২২ , ২:২৪ অপরাহ্ণ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকাকে নিয়ে প্রকাশ্য এক সমাবেশে ব্যঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে। সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরি ইউনিয়নের বালিজুরী মাদ্রাসা মাঠে ২৬ নভেম্বর ‘ঐক্য প্রক্রিয়া’ নামে আয়োজিত এক জনসভায় তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আহমদ আলী প্রশ্ন রেখে বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে আমরা প্রতীক পেলাম, আমাদের ভোট গেল কোথায়?

আহমদ আলী একটি বেসরকারি কলেজের প্রভাষক ছিলেন। তিনি বালিজুরি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৭ম ধাপে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আতাউর রহমানের বড় ভাই। পুরো জনসভাটি সুনামগঞ্জ স্টার টুয়েন্টিফোর ডটকম নামের একটি পেজ থেকে ফেসবুকে সরাসরি লাইভ দেখানো হয়।

ওই সভায় আহমদ আলী বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। গত বছল আমরা প্রতীক পেলাম, ভোট গেলো কোথায়? আমরা হেরে গেলাম। চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী জহুর ভাই পাস করলেন, সেই পাস কিন্তু পাস না। সেটা ছিল নকলের পাস। নকল করে পাস করে কৃতিত্ব নেই। ভোট হাইজ্যাক করে, প্রশাসনকে ব্যবহার করে, শক্তিকে ব্যবহার করে নির্বাচিত হলে জনগণের সেবা করতে পারেনি, পারবেও না। এবার নৌকার অবস্থা ভাল না। তাই নৌকা পেলেও আমরা নির্বাচন করব, না পেলেও করব। জোট থাকলে বিজয় ছিনিয়ে আনবোই। মার্কাতে ভোট দেব না, ভোট দেব ব্যক্তিকে।

আতাউর রহমান ছাড়াও বালিজুরী ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে আছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন কুমার তালুকদার, স্থল বন্দর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ হোসেন ও উপজেলা যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক সামায়ূন কবীর।

সভায় জামায়াতে ইসলামীর ভিন্ন ফ্রন্ট নামে পরিচিত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সুনামগঞ্জ জেলার সহকারী সেক্রেটারী ও জেলা জামায়াতের রোকন জসীম উদ্দিন বক্তব্য দেন। ওই জামায়াত নেতা প্রকাশ্যে আতাউর রহমানকে সমর্থন জানান এবং নির্বাচনে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। সভায় জামায়াতের আরেক নেতা আতাউর রহমানকে তাদের জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

এছাড়া অভিযোগ আছে দুই গ্রামের ভোটারদের নিয়ে প্রকাশ্য সেই সভায় আতাউর রহমান দুইবার বক্তব্য রাখলেও জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু একবারও বলেননি। তা নিয়ে এলাকায় দলের নেতাকর্মীরাও ক্ষুব্ধ।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা ভোরের কাগজকে বলেন, আহমদ আলী একজন মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি কখন কি বলেন, তার কোনো কথার ঠিক নেই। আমরা তার কথা খুব একটা আমলে নিতে চাই না। এছাড়া জামায়াতের নেতা ওই সভায় বক্তব্য রেখেছেন কি না সে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়