পীরের কারণে ভোট দিলেন না চাঁদপুরের নারীরা

আগের সংবাদ

পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্তপাত বন্ধে পুলিশকে আরও শক্তিশালী করা হবে

পরের সংবাদ

মদনে নির্বাচনি সংঘাতে আহত ১৫

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২২ , ৭:০৫ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২২ , ৭:০৫ অপরাহ্ণ

পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নেত্রকোণা জেলার মদনে আটটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জাল ভোট দিতে বাধা দেওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে পৃথক স্থানে প্রায় ১৫ জন আহত হয়।

তাদের মধ্যে আটজনকে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া একটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হলে দুই পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনায় আধা ঘণ্টা ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের দড়িবিন্নী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, দুপুর দুইটার দিকে কাইটাইল ইউনিয়নের বাড়রি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও দুপুর আড়াইটার দিকে মদন ইউনিয়নের কাইকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দুপুর দেড়টার দিকে ফতেপুর ইউনিয়নের দেওসহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আধা ঘণ্টার জন্য ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার মদন উপজেলার বেলা ১২টার দিকে দড়িবিন্নী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোরগ প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী হেলন মিয়ার একজন সমর্থক কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে যান। এ সময় অপর মেম্বার প্রার্থী টিউবয়েল প্রতীকের আবুল বাশার ইয়ার খান বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে প্রার্থী আবুল বাশার, আফরোজা আক্তার, হালিম মিয়া, মোবারক ও পুতুলা আক্তারসহ আটজন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পাঁচজনকে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অপর দিকে দুপুর দুইটার দিকে বাড়রি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকার সমর্থক এক যুবক জাল ভোট দিতে গেলে প্রতিপক্ষ আনারস প্রতীকের সমর্থক বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে তিনজন আহত হলে আনারসের সমর্থক আব্দুছ ছালামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে মদন ইউনিয়নের কাইকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে চারজন আহত হন। তাদের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত নূরুল আমীনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে ফতেপুর ইউনিয়নের দেওসহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে সৃষ্ট উত্তেজনায় আধা ঘণ্টার জন্য ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়।

মদন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হামিদ ইকবাল ও মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভোট গ্রহণকালে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়। এ ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়