বিনামূল্যে নারী পোশাক শ্রমিকদের উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ

আগের সংবাদ

অরিত্রীর আত্মহত্যায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ১৭ জানুয়ারি

পরের সংবাদ

ছাত্রলীগ কর্মীদের পায়ের চাপে ভেঙ্গে গেছে বটতলার ইতিহাস ফলক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২২ , ৯:১১ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২২ , ৯:১১ অপরাহ্ণ

ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ ও বটতলায় জমায়েত হয়। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে তৈরি করা হয় মঞ্চ।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মঞ্চের সামনে জায়গাকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিমউদদীন হল ছাত্রলীগ কর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ আহত হন ১৩ জন।

এসময় হাতাহাতি ও সংঘর্ষ চলাকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পায়ের চাপে বটতলার ইতিহাসবদ্ধ ফলক ভেঙ্গে গেছে। এছাড়া আলোচনা সভা চলাকালীন সময়েও বটতলার ইতিহাসবদ্ধ ওই ফলকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় অনেক ছাত্রলীগ কর্মীকে। বটতলায় ইতিহাস লিপিবদ্ধ লোহার ফলক চারটির মধ্যে তিনটি ভেঙ্গে বাঁকা হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর রক্ষা করার দায়িত্ব ছাত্র-শিক্ষক সবার। বাইরের লোকজন এভাবে ক্যাম্পাসে এনে কর্মসূচি পালন করার পর এরকম ঘটনা ঘটলে তো যারা আয়োজক তাদেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭১ সালের ২ মার্চে কলাভবনের সামনে অবস্থিত এই বটতলায় এক ছাত্রসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়, যা ছিল মুক্তিযুদ্ধ প্রেরণার অন্যতম উৎস। এর আগে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রও ছিল এই বটতলা।

বছরের বিভিন্ন সময় এর পাশে আয়োজন করা হয় নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগেও আয়োজন করা হয় সভা-সমাবেশ। তাছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের আড্ডারও অন্যতম স্থান এই বটতলা।

বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রাম ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এ ঐতিহাসিক বটতলা। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ বটগাছটি ধ্বংস করে দেয়। পরে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি গাছটি লাগিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম. কেনেডি।

আর-আরএ/এসএইচ,আরআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়