টিকা ছাড়া রেস্টুরেন্টে খাবার নয়

আগের সংবাদ

করোনা বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

পরের সংবাদ

শিল্পকলার মঞ্চে কোথায় জলে মরাল চলে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২২ , ৯:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২২ , ৯:১৭ অপরাহ্ণ

২৩০০ বছর আগেকার কপিলাবস্তু রাজ্যের কথা। রাজকীয় সেই বিলাস-বৈভব আকৃষ্ট করতে পারেনি গৌতম বুদ্ধের মনকে। মানবজীবনের হতাশা, দুঃখ, জরা-ব্যাধি প্রভৃতির চিন্তা তাকে আকুল করে তোলে। সংসার সম্পর্কে উদাসীন হয়ে পড়লে তার পিতা যশোধরা নামে সুন্দরী রাজকন্যার সঙ্গে বিবাহ দেন। কিন্তু, রাজকীয় ঐশ্বর্যকে উপেক্ষা করে এবং সংসারের মায়ার বন্ধন ছিন্ন করে গৃহত্যাগ করেন গৌতম বুদ্ধ।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) শীত সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে নাট্যম রেপার্টরী প্রযোজিত ‘কোথায় জলে মরাল চলে’ নাটকটির মঞ্চায়ণ হলো।

হিন্দী ভাষাসাহিত্যের দিকপাল মোহন রাকেশ রচিত ‘লেহরো কা রাজহংস’ অবলম্বনে নাটকটি অনুবাদ করেছেন অংশুমান ভৌমিক। নির্দেশনা দিয়েছেন ড. আইরিন পারভীন লোপা।

নাটকের ঘটনাপ্রবাহে আরো দেখা যায়, ১২ বছরের দীর্ঘ তপস্যা শেষে নির্বাণ লাভের পর স্বভূমিতে ফিরে আসেন গৌতম বুদ্ধ। তাকে একবার দেখার জন্য ব্যাকুল থাকে কপিলাবস্তুর সকলে। তার কাছে দীক্ষা নেয়ার জন্য অধীর শত-সহস্র অনুগামী। অন্যদিকে রাজকুমার নন্দর ভবনে বইছে অন্য হাওয়া। নন্দ নিজে বুদ্ধের সান্নিধ্য পেতে চাইলেও তার স্ত্রী সুন্দরীর এ ব্যাপারে কোনও আকর্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে স্বামী নন্দর ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ একটুও শিথিল হতে দেবে না সে। ঐ রাতেই নন্দের বাসভবনে কামোৎসবের আয়োজন করে সুন্দরী। সেখানে কপিলাবস্তুর অভিজাত সম্প্রদায়ের সকলে আমন্ত্রিত হয়। সুন্দরীর তত্ত্বাবধানে সেজে ওঠে কপিলাবস্তুর রাজভবন। শুরু হয় জাগতিক মোহ আর অপার্থিব বোধের সংঘাত। প্রযোজনাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- শুভাশীষ দত্ত তন্ময়, সংগীতা চৌধুরী, খুরশীদ আলম, ফকরুজ্জামান, শাকিল আহমেদ, শরিফুল ইসলাম শিমুল, দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বলসহ অনেকে।

রি-এসবি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়