বাণিজ্য মেলায় এখনো চলছে স্টল ডেকোরেশনের কাজ

আগের সংবাদ

শুরু হয়েছে ২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

পরের সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আসা বিএনপির জন্যই ভালো : আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২, ২০২২ , ৪:৩২ অপরাহ্ণ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২২ , ৪:৩২ অপরাহ্ণ

সংলাপে এলে বিএনপির জন্যই ভালো হবে, তবে আসা ও না আসা তাদের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রোববার (২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, কাকে বিদেশ পাঠানো হবে, কাকে পাঠানো হবে না সেটা সরকারের জন্য বড় বিষয় নয়। একটি উন্নত দেশ গঠনে সরকার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে, এখন জনগণকে সেবা দেওয়াই বড় বিষয়। জনবান্ধব সরকারের জনসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ।

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এত অল্প সময়ে আইন করা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে সংবিধান অনুসারে অবশ্যই আইন তৈরি করা হবে। তবে এখন সেই সময় নেই। তিনি বলেন, সব দলসহ সব ভোটারের কাছে গ্রহণযোগ্য আইন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। এক্ষেত্রে কারা জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দিয়েছে সেটিই বিবেচনার বিষয়।

মামলাজট প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, করোনার সময় দুই লাখ মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কিন্তু মামলাজট আগে যা ছিল, এখনো তাই আছে।

এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শেষ হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের কোনো সুযোগ নেই।

নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), তরিকত ফেডারেশন সংলাপে গিয়ে ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের প্রস্তাবনা দিয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। গত দুবার নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তিনি একটা সিদ্ধান্তে এসেছিলেন যে, সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন হবে। নিবন্ধিত দলগুলো নাম দিতে পারবে।

সে সময় তিনি বলেন, সার্চ কমিটি ১০টি নাম সুপারিশ করতে পারবে, সেই দশটি নাম থেকে পাঁচজনকে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নিয়োগ দেবেন। এটা অ্যাক্টের উপর হয়েছে, এটা আইন না। এ অ্যাক্টের ওপরে দুটি নির্বাচন হয়েছে। তবে আমিও মনে করি, আইন হওয়া উচিত। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর প্রতিনিধিও গিয়েছিল। আমি পরিষ্কার বলেছি, নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত আইন হওয়া দরকার। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সব সংসদ সদস্যকে সংসদে পাচ্ছিলাম না। সংসদ সদস্যদের পাশ কাটিয়ে কোনো অর্ডিন্যান্স করব না।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়