অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরীক্ষা, সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

আগের সংবাদ

বাংলা একাডেমি পরিচালিত সাত পুরস্কার পেলেন যারা

পরের সংবাদ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর র‌্যালিতে বিজয়ের শুভযাত্রা দেখছে বিএনপি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ , ৭:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ , ৭:০৩ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর র‌্যালিতে নিজেদের বিজয়ের শুভযাত্রা দেখছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকের বিজয় র‌্যালির মধ্য দিয়ে আমাদের বিজয়ের যাত্রা শুরু হলো। শেখ হাসিনাকে বিদায় করে আমরা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে সংগ্রাম করবো।

মহান বিজয় দিবস ও দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকাল সোয়া চারটায় রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সমাপনী সমাবেশে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

র‌্যালি শেষে ট্রাকে স্হাপিত অস্থায়ী মঞ্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে লাখো মানুষের অংশগ্রহণের এই র‌্যালি প্রমাণ করেছে দেশের মানুষ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়। তারা দেখতে চায়, অবিলম্বে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হোক। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায়। দেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়, কথা বলতে চায়, মুক্তভাবে স্বাধীনতা ভোগ করতে চায়। বক্তব্য শেষ করে তিনি চলে যান।

এর আগে, র‌্যালি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার আগে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর বিএনপির (দক্ষিণ) আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তর আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান। সঞ্চালনা করেন প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নেতারা বক্তব্যে র‌্যালিতে বিপুল জমায়েতের জন্য বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও অনুসারীদের ধন্যবাদ জানান।

রবিবার সকাল ১১টা থেকেই র‌্যালিতে অংশ নিতে বিএনপির নেতাকর্মী নয়া পল্টনে আসতে শুরু করেন। একের পর এক মিছিলে র‌্যালিতে নেতাকর্মীরা নেয়। এসময় তারা নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার বহন করে। নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্লোগান দেন। পাশাপাশি সরকার বিরোধী স্লোগানও দিতে দেখা যায়। মিছিলে জাতীয় পতাকা মাথায় ও হাতে পতাকা উড়াতে দেখা গেছে। র‌্যালিতে খালেদার জিয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পরিস্থিতি তুলে ধরতে একজন নারী ‘প্রতীকী’ভাবে মিনি ট্রাকে অবস্থান নেন। র‌্যালি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেলেও কোনো অঘটন ঘটেনি। র‌্যালির শেষ দিকে যুবদল, ছাত্রদল অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিকাল পৌনে তিনটার দিকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে চারটায় আনুষ্ঠানিকভাবে র‌্যালি শেষ হয়।

বিএনপির র‌্যালিকে কেন্দ্র করে নয়া পল্টন, কাকরাইল, পুরানা পল্টন, মতিঝিল থেকে ফকিরাপুল, বিজয়নগর, শান্তিনগর, মালিবাগ এলাকায় ব্যাপক যানজট হয়। বিকাল সাড়ে চারটায় নয়া পল্টনের সামনের সড়কটি স্বাভাবিক হয়। র‌্যালি চলাকালে নয়া পল্টনের সড়কের দুই পাশের দোকানপাট বন্ধ থাকলেও সাড়ে চারটার পর খুলে যায়।

বিজয় দিবস ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিএনপির র‌্যালিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ওলামা দল, কৃষক দল, জাসাস, মুক্তিযোদ্ধা দল, মহিলা দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়