×

মুক্তচিন্তা

বিদেশি পত্রিকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংবাদ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৮ এএম

বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিদেশি সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমের জন্যও ছিল উদযাপনের বিষয়। কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত স্বাধীনতার সংবাদের কিছু নমুনা তুলে ধরা হচ্ছে। যশোর পতনের পরই বাল্টিমোর সান বাংলাদেশকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে। উৎফুল্ল জনতা রাস্তায় নেমে এসেছে ৭ ডিসেম্বর, যশোর, পূর্ব পকিস্তান বাংলাদেশের জনগণ সেøাগান দিয়ে বিজয়ী ভারতীয় বাহিনীকে অভিনন্দন জানাতে দলে দলে রাস্তায় নেমে এসেছে। লাল-সবুজ-সোনালি বাংলাদেশের পতাকা, যা এতদিন লুকিয়ে রেখেছিল, তা ওড়াতে ওড়াতে তারা বাড়ি থেকে আবির্ভূত হয়েছে; পাকিস্তানি সেনারা বাড়ি আসবে এই আতঙ্কে যেসব নারী ধান ক্ষেতের গভীরে লুকিয়েছিল, তারাও ফিরে এসেছে। একটি আচমকা ধাক্কাতেই সেখানকার পাকিস্তানি বাহিনীকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে দিলে তাদের পালিয়ে যেতে হয়। ট্যাংক ও সাঁজোয়া গাড়ি সশব্দে অধিকাংশ তালাবন্ধ, শাটার নামানো দোকানের সামনে দিয়ে চলে যায়। পাগড়িবাঁধা শিখ এবং বাদামি মুখমণ্ডলের গোর্খা রাইফেলধারীরা জনতার সঙ্গে মিশে গিয়ে সানন্দে তাদের নেতৃত্ব দিয়ে তাদের সেøাগান ‘জয় বাংলা’ দিতে থাকে। যশোরে যারা বেঁচে আছেন, শেষ পর্যন্ত একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া ছিল তাদের লালিত স্বপ্নের চেয়েও বেশি। রাস্তায়ও মুক্তিবাহিনী, জাতীয়তাবাদী গেরিলা, যারা আট মাস ধরে প্রেসিডেন্ট এ এম ইয়াহিয়া খানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কাজ এবং অ্যামবুশ করে তাদের বিরুদ্ধে লড়ে গেছে। তাদের কাঁধে ঝুলছে ভারতের সরবরাহ করা আধুনিক স্বয়ংক্রিয় রাইফেল; তাদের গোপন ক্যাম্পে জঙ্গলে কিংবা কলার বনে রয়েছে মর্টার এবং লাইট মেশিনগান। যশোর যুদ্ধে তাদের ভূমিকা কম থাকলেও তাদের হাঁটার ভঙ্গি ছিল সদম্ভ- তারা বিজয়ের এ দিনটিকে উপভোগ করছে। ভারতীয় মেজর জেনারেল দলবীর সিং, যার বাহিনী যুদ্ধ করে এই শহর জয় করেছে তিনি বললেন, যদি পাকিস্তানি বাহিনী মাথা খাটিয়ে যুদ্ধে নামত, তাহলে আমাদের এক মাস ধরে যুদ্ধ করতে হতো। ভারতীয় নবম ডিভিশনের কমান্ডার জেনারেল সিং বলেন, একটি ট্যাংক ঠেকানো পরিখা এবং ছোট ম্যাজিনট লাইন (প্রতিরোধক ব্যবস্থা) থাকলেও তার বাহিনী প্রায় বাধাহীনভাবেই শহরে ঢুকতে পেরেছে। কলকাতায় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র যশোর জয়ের যে বিবৃতি দিয়েছেন, তার সঙ্গে জেনারেল সিংয়ের কথার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। মুখপাত্র বলেছেন, যশোরে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র লড়াই হয়েছে। যেটুকু লড়াই হয়েছে, তার সবটাই শহরের বাইরে। জেনারেল সিং বলেছেন, পাকিস্তানি সৈন্যরা এপ্রিল থেকে লড়াই করে আসছে, তবুও তারা যথেষ্ট অসংঘটিত। কোনো কোনো বাড়ির ওপর শেলের আঘাত লেগেছে। এছাড়া যশোরের অতি সামান্যই ক্ষতি হয়েছে। ‘আমি তাদের কজনকে এক জায়গায় পেয়ে গেছি, বাকিদেরও পালানোর কোনো সুযোগ নেই’- জেনারেল দলবীর সিং বললেন, ‘আমি তাদের কাউকে হত্যা করতে চাই না, কেবল ধরতে চাই। আমি ভদ্র প্রকৃতির মানুষ।’ দ্য ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর, বোস্টনের ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সংবাদ সবচেয়ে স্মরণীয় বিজয় পাকিস্তানের সামরিক শাসকরা বাংলাদেশের মানুষের সমস্যাকে যেভাবে উপেক্ষা করেছে, জনগণের অধিকার গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং গণতন্ত্রকে পদদলিত করে তা থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তান যদি কেবল দেশের পূর্বাঞ্চলের জনগণের আইনি ও স্বাভাবিক অধিকারগুলোর প্রতি নজর দিত, কখনই পরিস্থিতির এমন বিস্ফোরণ ঘটত না। কেবল জাতিগুলোর মধ্যে সাম্য ও পরস্পরের অধিকার সম্পর্কে শ্রদ্ধাই সত্যিকার সমাজ গড়ে তুলতে পারে। তিনিও (ইন্দিরা গান্ধী) স্মরণীয় বিজয় লাভ করেছেন। পাকিস্তানের পেশাদার সৈন্যরা নারী হওয়ায় তাকে অবজ্ঞা করেছিল। এ মেয়েলোক যুদ্ধের কী জানে? দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর এমন সম্পূর্ণ ও সুনির্দিষ্ট বিজয় আর ঘটেনি, অহঙ্কারী পাকিস্তানি সৈন্যদের ধূলিতে নামিয়ে আনতে ঠিক দুই সপ্তাহ সময় লেগেছে, আর এ সময়েই পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের অভ্যুদয় ঘটেছে। এভাবেই দুটি পাকিস্তানের সমাপ্তি ঘটল। এখন থেকে কেবল একটি পাকিস্তান, পশ্চিম।

নবীন খবর কাঠমান্ডুর শিরোনাম বাংলাদেশ একটি বাস্তবতা সাম্প্রতিক যুদ্ধে পাকিস্তানকে তার অর্ধেকের বেশি অংশ হারাতে হয়েছে। এর কারণগুলো বিবেচনা করা দরকার। কিন্তু তা না করে নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট ভুট্টো সাহেব তার দেশের নামে বিবৃতি জারি করেছেন, যে দেশ আমাদের কেবল হতাশাই বৃদ্ধি করেছে। সবাই জানেন পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার দায় ইয়াহিয়া খানের চেয়ে ভুট্টোর কম নয়। সাধারণ নির্বাচনের পর ভুট্টো যদি ইয়াহিয়া খানকে কুপরামর্শগুলো না দিতেন, পূর্ব পাকিস্তান তাহলে আজ আর আলাদা দেশে রূপান্তরিত হতো না। যেভাবেই হোক পূর্ব পাকিস্তানের সব নাগরিকের প্রত্যাশার মুখে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে। পৃথিবীর কোনো শক্তিই আর এ সত্যকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। ভুট্টো সাহেবের উচিত সত্য অনুধাবন করা। আমরা তাকে সেই পরামর্শই দিই। গতকাল তিনি যে ভাষণ দিয়েছেন তা স্ববিরোধী ও হতাশাব্যঞ্জক। তিনি দাবি করেন, তিনি পাকিস্তানের নির্বাচিত নেতা। কিন্তু তাকে স্বীকার করতেই হবে নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান তার চেয়ে আরো বড় নেতা। তিনি যদি নির্বাচনের রায়কে গণতান্ত্রিক মানসিকতা নিয়ে মেনে নিতেন তাহলে বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য কোনো মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজন হতো না। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ লাগত না এবং এমনভাবে পাকিস্তানকে পরাজিতও হতে হতো না। যাক, গত ক’মাসে যেসব ঘটনা ঘটেছে ভুট্টো সাহেব তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবেন এবং এখনো টিকে থাকা পশ্চিম পাকিস্তানের ঐক্য অটুট রেখে রক্ষা করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবেন বলে আশা করা যায়। অন্য কথায় তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের অস্তিত্ব স্বীকার করে নিতে হবে। অপরপক্ষে তিনি যদি ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি নেন তাহলে ইয়াহিয়া যেভাবে পূর্ব পাকিস্তান হারিয়েছেন তাকেও তেমনি পশ্চিম পাকিস্তান হারানোর জন্য পৃথকভাবে সম্পূর্ণ দায়ী থাকতে হবে- পাকিস্তানের অপরাধের দায় তাকেই গ্রহণ করতে হবে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্র্রতিবেদনটি ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ প্র্রকাশিত হয়। এটি তৈরি করেন প্র্রতিবেদক লি লেসেইজ। সংবাদ প্র্রতিনিধি তার মূল কর্মক্ষেত্র হংকং হলেও ভারত-বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তিনি দিল্লিতে ছিলেন এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফেরি বোটে রণাঙ্গনে চলে আসেন। তিনি ওয়াশিংটন পোস্টের বিদেশ-বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। শেষে এই পত্রিকার সহকারী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের উইকএন্ড এডিটর ছিলেন। ২৭ জুলাই ১৯৯৬ লি লেসেইজ ৫৭ বছর বয়সে ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন। ১৬ ডিসেম্বর অপরাহ্ণে ঢাকা রেসকোর্সে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান সমাহিত হয়। লি লেসেইজের প্র্রতিবেদনটির একাংশ :

পূর্ব পাকিস্তানে যুদ্ধ শেষ : ফুল ও করতালির মধ্যে ভারতীয় বাহিনীর ঢাকা প্র্রবেশ ঢাকা ১৬ ডিসেম্বর। হাজার হাজার বাঙালির ‘জয় বাংলা’ সেøাগান ও আনন্দধ্বনির মধ্য দিয়ে ভারতীয় সৈন্য দল আজ ঢাকা শহরে প্র্রবেশ করল। মেজর জেনারেল গান্ধর্ব নাগরার কমান্ডের অধীন ভারতীয় সৈন্য এবং পূর্ব পাকিস্তানি গেরিলাদের একটি দল খুব ভোরে শহরের বাইরের দিকটাতে একটি ব্রিজ উড়িয়ে দেয়ার পর জানতে পারে ভারতের কাছে আত্মসমর্úণ করার চূড়ান্ত ঘোষণা পাকিস্তানি কমান্ড মেনে নিয়েছে। নাগরা বলেন, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে (ইস্টার্ন স্ট্যান্ডার্ড টাইম বুধবার রাত ১০টা) তিনি পাকিস্তানি সামরিক সদর দপ্তরে একটি বার্তা পাঠান এবং তাৎক্ষণিকভাবে জবাব পেয়ে যান যে পাকিস্তান তাদের আর প্র্রতিরোধ করবে না। তারপর দলবলসহ তিনি ঢাকা শহরে প্র্রবেশ করলেন। তিনি এখানে সকাল ১০টার দিকে পাকিস্তানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজির সঙ্গে দেখা করলেন। নাগরা বললেন, ‘আমরা পুুরনো বন্ধু, সেই কলেজের দিনগুলো থেকে।’ ভারতীয় জেনারেল তারপর ঢাকা এয়ারপোর্টে গেলেন, ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জ্যাকবের আগমনের প্র্রতীক্ষায় রইলেন, তিনি কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে আসছেন। এয়ারপোর্টে জেনারেলের সঙ্গে কেবল তিনজন ভারতীয় সৈনিক। অমসৃণ কাঠের স্টিক হাতে নিয়ে তিনি যখন ঘোরাচ্ছেন পাকিস্তানি এয়ারপোর্ট ডিফেন্স ইউনিট রানওয়ের শেষপ্র্রান্তে একত্রিত হয়েছে, এখান থেকে তারা তাদের আত্মসমর্পণ করার নির্ধারিত স্থানে চলে যাবে। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে রাস্তায় পাকিস্তানি সৈন্যের সংখ্যা ভারতীয় সৈন্যের চেয়ে অনেক বেশি, মাঝে মধ্যে বিক্ষিপ্ত গোলাগুলিও হচ্ছে। অনেক ভারতীয় ও পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়েছে, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ভারতীয় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মুক্তি বাহিনী-পূর্ব পাকিস্তান লিবারেশন আর্মির সদস্যরা জনতার সঙ্গে মিলে গেছে। আনন্দিত জনতার সঙ্গে মিশে তারা আকাশের দিকে গুলি ছুড়ছে। নাগরা ৯৫ মাউন্টেন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার এইচ এস ক্লেরকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পাঠালেন। এটি রেডক্রসের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ অঞ্চল ঘোষিত হয়েছে। এখানে অবস্থানকারী বিদেশি এবং এখানে আশ্রয় নেয়া পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক বেসামরিক সরকারের সদস্যদের রক্ষা করার জন্য ক্লের-এর এখানে আগমন। বাঙালি জনতা বারবার ক্লের গাড়ি রাস্তায় ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে তাদের নেতা ড্রাইভারকে গাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসতে চেষ্টা করে। ব্রিগেডিয়ার ক্লের নিজেই বেরিয়ে আসেন, বাঙালিরা তার ওপর আছড়ে পড়ে, একজন তার হাতে গুঁজে দেয় এক গোছা গাঁদা ফুল। বাঙালিরা চিৎকার করে বলতে থাকে, অনেক ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ। ২ ব্রিগেডের কিছু বেশি সৈন্য নিয়ে ৪ ডিসেম্বর সকালে নাগরা ও ক্লের পাকিস্তানি সীমান্ত অতিক্রম করেন, উত্তর দিক থেকে লড়াই করতে করতে ঢাকায় এসে উপস্থিত হন।

তারা ১৬০ মাইল পেরিয়ে এসেছেন আংশিক গরুর গাড়িতে এবং আংশিক পায়ে হেঁটে যুদ্ধ করে, সবগুলো শহরেই। একজন বিদেশি রিপোর্টার এয়ারপোর্টে নাগরাকে বললেন, ‘আমরা আপনাদের ওপর ভরসা করেছিলাম, ক্রিসমাসের আগে বাড়ি ফিরে যাব।’ জেনারেল বললেন, আমরা সে ব্যবস্থাই করেছি। তিনি বললেন, আমরা যে পথে ঢাকায় প্র্রবেশ করেছি সে পথে পাকিস্তানি সৈন্যদের মৃতদেহ পড়ে আছে। ‘এটা মর্মান্তিক, হাতে সময় না থাকায় আমরা তাদের কবর দিতে পারিনি।’ নাগরা বললেন, ‘সারাপথ আমাদের জন্য করতালি ও আনন্দধ্বনি দেয়া হয়েছে।’ জেনারেল নাগরার একজন সহকারী বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে তার কাছে এলেন। জনতার কাছে উপেক্ষিত পাকিস্তানের পরাজিত সৈন্য ও পুলিশ সারিবদ্ধভাবে নিজেদের অস্ত্র বহন করে আত্মসমর্পণ ক্ষেত্রের দিকে এগিয়ে চলেছে। সেখানে তাদের নিরস্ত্র করা হবে।… চারদিকে আনন্দের গুলিবর্ষণ ও উল্লাসের চিৎকারের মধ্য দিয়ে বিকাল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে। বাসভর্তি ভারতীয় সৈন্যদের গাড়ি থামিয়ে উল্লসিত বাঙালিরা ধন্যবাদ দিচ্ছে। ২৫ মার্চের পর নিয়ন্ত্রণ প্র্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নির্মম কর্মকাণ্ড চালিয়েছে তখন থেকে লুকিয়ে রাখা বাংলাদেশের পতাকাটি বের করে তারা আবার উড়িয়ে দিচ্ছেন।

ড. এম এ মোমেন : সাবেক সরকারি চাকুরে, নন-ফিকশন ও কলাম লেখক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

জুম্মার দিন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সাইরেনের শব্দ

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

খড় পোড়ানোর আগুনে ২০ বিঘা জমির গম পুড়ে ছাই

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

পেট্রোল পাম্পে পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

কোটি টাকার মালামালসহ ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App