ই-কমার্সে প্রতারণা বন্ধ হবে কি?

আগের সংবাদ

মেয়র আব্বাসের অবৈধ দুই মার্কেট ভেঙে দিল প্রশাসন

পরের সংবাদ

রাজধানীর ৮০ ভাগ ভবনে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই: ওয়াসা

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০২১ , ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২১ , ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা শহরের ৮০ ভাগ আবাসিক-বাণিজ্যিক ভবনে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারে ওয়াসা ভবনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। চলমান কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ঢাকা ওয়াসা।

মতবিনিময় সভায় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওয়াসা এমডি বলেন, রাজউক আইনে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক ভবনে পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিধান রয়েছে। কিন্তু ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ ভবনে এই ব্যবস্থা রয়েছে। বাকি ভবনগুলো সিটি করপোরেশনের নালায় সরাসরি সংযোগ দেওয়া রয়েছে। তাদের ৬ মাসের সময় দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এই সময়ের মধ্যে তা না করলে এই নালাগুলো বন্ধ করে দিবে ডিএনসিসি। তিনি বলেন, এই অব্যবস্থাপনা দূর করতে ঢাকা রাজধানীর দাসেরকান্দি, নারায়ণগঞ্জের পাগলা, উত্তরা, রায়ের বাজার ও মিরপুরে পৃথক পাঁচটি প্লান্ট স্থাপনের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দাসেরকান্দির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়ন হলে খাল-নদী দূষণমুক্ত হবে।

ওয়াসা ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঢাকা ওয়াসার মূল লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা। এ লক্ষ্য ‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা’ কর্মসূচির আওতায় নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারই পরিক্রমায় ঢাকা ওয়াসা আজ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে একটি রোল মডেল। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার দৈনিক পানি উত্তোলন ও উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০-২৭৫ কোটি লিটার এবং দৈনিক ২৬০-২৬৫ কোটি

বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার মোট উৎপাদিত পানির শতকরা ৩৩ ভাগ ভূ-উপরিস্থ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয় জানিয়ে তাকসিম এ খান বলেন, আর ৬৭ ভাগ পানি ভূ-গর্ভস্থ উৎস তথা গভীর নলকূপ হতে আসছে। ২০২৩ সাল নাগাদ ঢাকা শহরে সরবরাহকৃত পানির ৭০ ভাগ আসবে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎস থেকে। অবশিষ্ট ৩০ ভাগ ভূ-গর্ভস্থ তথা গভীর নলকূপ থেকে।

বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার ১৫৬টি পানির পাম্পে এসসিডিএ (সুপারভাইজরি কন্ট্রোল ও ডেটা অ্যাকুইজেশন) স্থাপন করেছে। এতে পাম্পগুলি সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুমে বসে মনিটরিং ও পরিচালনা করার সুবিধা হয়েছে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়