বিশ্বে অভিবাসী প্রেরণে বাংলাদেশ ষষ্ঠ, রেমিট্যান্সে অষ্টম

আগের সংবাদ

নারী সহকর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ইন্সপেক্টর প্রদীপ

পরের সংবাদ

খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকার দায়ী থাকবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০২১ , ৭:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২১ , ৮:১৭ অপরাহ্ণ

বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবি জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এটা করা সরকারের জন্যই ভালো। তার কোন ক্ষতি হলে এই দেশের জনগণ আপনাদেন রেহাই দিবে না। তাই বিলম্ব না করে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন, না হলে খালেদা জিয়ার কিছু হলে এর জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযুদ্ধ দলের মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয়বাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে, বাংলাদেশ কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অব: হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আবদুস সালাম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয় সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, জাতীয়বাদী মুক্তিযুদ্ধ দলের সাধারণ সসম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ফখরুল বলেন, কাল বিলম্ব না করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তাকে বিদেশে প্রেরণ করুন। অন্যথায় আপনারা এর জন্য সর্বাংশে দায়ী থাকবেন। তিনি আরো বলেন, আজকে এই সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। সরকারি হাসপাতালগুলোতে গেলে কেউ চিকিৎসা পায় না। অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছেন। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করে শেষ করে দিয়েছেন। আর কথায় কথায় বলেন, উন্নয়নের রোল মডেল নাকি বাংলাদেশ।

বিএনপির মুখপাত্র বলেন, রাস্তায় পড়ে থাকে মানুষ না খেয়ে, কৃষরা তাদের ধানের দাম পায় না। আমাদের শ্রমিক ভাইরা তাদের মুজুরি পায় না। আমাদের নিম্নবিত্ত আরো নিম্নবিত্ত হচ্ছে। মধ্যবিত্ত আরো নিম্নবিত্ত হয়ে যাচ্ছে। দারিদ্রের সীমা আরো নিচে নেমে গেছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে সবাইকে আহবান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এখানে মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত হয়েছে, তাদের রাইফেল একবার গর্জে উঠেছিলো ১৯৭১ সালে আরেকবার রাজপথে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশ নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো।

আইনমন্ত্রী আনিসুর রহমানের কথায় আবারও প্রমাণিত হয়েছে সরকার ১৮ সালের মতো নির্বাচন করার পাঁয়তারা করছে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন,আইনমন্ত্রী বলেছেন, চতুর্থবারের মতো শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন। নির্বাচন কমিশনের একটি আইন হবে কিন্তু আগামী নির্বাচন এই আইনের অধীনে হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ আবারো ভোটের আগের রাতে অপজিশন পার্টিদের পিটিয়ে বের করে দিয়ে মাঠ খালি করে নির্বাচনে পদ দখল করে নেবেন ।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার দাবি যৌক্তিক। প্রয়োজন হলে সরকারকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও হাফ পাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়