বিশ্বের ২৩ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন

আগের সংবাদ

বিজ্ঞানীরা শূন্য তাপমাত্রাকে প্রায় ছুঁয়েই ফেললেন!

পরের সংবাদ

বৃহস্পতি সম্পর্কে আশ্চর্য তথ্য দিল নাসার যান

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১, ২০২১ , ৬:১৬ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২১ , ৬:১৬ অপরাহ্ণ

সৌরজগতের কৌতূহল সবচেয়ে বেশি যে কয়টি গ্রহকে ঘিরে বিজ্ঞানীদের তার মধ্যে অন্যতম বৃহস্পতি। এবার নাসার জুনো মহাকাশযানের সূত্রে মিলল বৃহস্পতির গ্রেট রেড স্টর্ম সম্পর্কে আশ্চর্য তথ্য। বলা হচ্ছে, ওই ঝোড়ো অঞ্চল এতই গভীর যে ১ হাজারটা পৃথিবী নাকি গিলে নিতে পারে ওই এলাকা। বৃহস্পতির আবহাওয়ার এক ত্রিমাত্রিক হিসেব থেকে এমনই দাবি স্পষ্ট হয়েছে। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

গবেষকরা জানিয়েছেন, গ্যাসীয় দৈত্য বৃহস্পতির মেঘের নিচে ২০০ থেকে ৩০০ মাইলের ভিতরে ডুবে রয়েছে গ্রেট রেড স্পট। বৃহস্পতির বুকে সাড়ে তিন শতক জুড়ে চলছে ভয়ংকর ঝড়। আর সেই ঝড়ের গতি প্রতিনিয়তই বাড়ছে। যাকে ঘিরে বিস্ময়ের শেষ নেই বিজ্ঞানীদের। নতুন করে সেই ঝড়কে নজরবন্দি করেছে নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। দেখা যাচ্ছে ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ৮ শতাংশ বেড়েছে ঝড়ের গতি। যা এখন বাড়তে বাড়তে এসে পৌঁছায়ছে ৬৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

নাসার এক বিজ্ঞানী মারজিয়া পারিসি জানিয়েছেন, পৃথিবীকে এই রেড স্পট এত বড় যে এক নিঃশ্বাসে গিলে নিতে পারে। কী এই গ্রেট রেড স্টর্ম? একে বলা হয় সৌরজগতের সমস্ত ঝড়ের রাজা। ২০১৭ সালে বৃহস্পতির খুব কাছে এসেছিল মহাকাশযান জুনো। তখনই দেখা যায়, এই ঝড়ের কেন্দ্র বৃহস্পতির আবহাওয়ায় অন্তত ৩২০ কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে আছে।

পৃথিবীর ক্ষেত্রে তা ১৫ কিলোমিটারের বেশি হয় না। এর থেকেই আন্দাজ করা সম্ভব, পৃথিবীর সব ভয়ংকর ঝড়ও এর কাছে কার্যত কিছুই নয়। জুনোর পাঠানো ছবি থেকে পরিষ্কার, গ্রেট রেড স্পট ক্রমেই আকারে বাড়ছে। যত দিন যাচ্ছে ততই আকৃতি বদলেছে সেটি। তাই প্রতিনিয়ত তার দিকে কড়া নজর রাখছে জুনো।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়