রামপুরায় অবরোধ কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবি

আগের সংবাদ

নামে মিল, বিনা দোষে রাকিব জেলে!

পরের সংবাদ

নাসির-অমির জামিন, চার্জশিটে পরী মনির নারাজি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১, ২০২১ , ১২:৪৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২১ , ১:১৪ অপরাহ্ণ

আলোচিত অভিনেত্রী পরী মনির দায়ের করা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় প্রধান আসামি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ এবং পরীর বন্ধু তুহিন সিদ্দিকী অমির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) তাদের বিরুদ্ধে পরী মনির মামলাটির চার্জশিট গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এজন্য আদালতে আসামি নাসির ও অমি উপস্থিত হন। একই সঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে দাখিল করা চার্জশিটের ওপর নারাজি (প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা) দিতে আদালতে হাজির হন মামলার বাদী পরী মনি।

এরপর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক মোহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে চার্জশিট শুনানিতে নাসির ও অমি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে পরী মনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভী আসামিদের জামিনের বিরোধীতা করে চার্জশিটের ওপর পরী মনির নারাজির আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিন মঞ্জুর করেন। আর নারাজি আবেদনের আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

পরী মনির আইনজীবী নীলাঞ্জানা রিফাত সৌরভী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরী মনির দায়ের করা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় মাত্র তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়নি। মামলাও সঠিকভাবে তদন্ত হয়নি। এ কারণে আমরা নারাজি দাখিল করেছি।

এরআগে গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলায় নাসির, অমি এবং শহিদুল আলম নামে আরেক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন।

গত ১৩ জুন রাতে ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চেয়ে পরী মনি অভিযোগ করেন, ৯ জুন উত্তরার বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যারচেষ্টা চালান ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় পরের দিন দুপুরে পরী মনি নিজে বাদী হয়ে সাভার থানায় নাসির-অমিসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

পরী মনির এ মামলার প্রেক্ষিতে ওইদিন অমির উত্তরার বাসায় অভিযান চালিয়ে নাসির উদ্দিন ও অমিসহ তাদের তিন নারী সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। অভিযানে এ সময় অমির বাসায় তল্লাশি চালিয়ে এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়। অভিযানের সেদিন দিনগত রাত ১২টার সময় ডিবির গুলশান জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার সিকদার বাদী হয়ে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

মাদক মামলায় ১৫ জুন তাদের আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি শুনানি শেষে নাসির-অমির সাত দিনসহ তিন নারীকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ৩০ জুন এ মামলায় অমি বাদে নাসিরসহ তিন নারী সহযোগীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। এছাড়া পরী মনির করা ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ২৩ জুন নাসির-অমির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। পরে এ রিমান্ড শেষে ২৯ জুন এ মামলাতেও তাদের জামিন দিয়েছিলেন আদালত।

রি-আরএ/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়