হাফ পাসের দাবি মেনে নিল বাস মালিকরা, কার্যকর বুধবার থেকে

আগের সংবাদ

বাংলাদেশকে কালো তালিকা থেকে বাদ দিল ভারত

পরের সংবাদ

প্রথম টেস্টে ৮ উইকেটে জিতল পাকিস্তান

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২১ , ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২১ , ১২:০৫ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) জয়ের জন্য কষ্ট করতে হয়নি বাবর আজম-আজাহার আলীদের। পাকিস্তান বেশ দাপটে খেলে ৮ উইকেটে প্রথম টেস্ট জিতেছে। এদিন ৫৮.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।

এ ছাড়া পঞ্চম দিন ব্যাট হাতে শুরুটা ভালই করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক।

তবে তাদের বেশিদূর এগোতে দেননি টাইগার স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। দলীয় ১৫১ রানে আব্দুল্লাহ সফিককে সাজঘরে ফেরান তিনি। পাকিস্তানের এই ওপেনার ১২৯ বলে ৭৩ রানে মিরাজের এলবির ফাঁদে পা দেন। এরপর দলীয় ১৭১ রানে আবিদকে আউট করেন তাইজুল। তিনি ৯১ রান করেন।

এর আগে চট্টগ্রাম টেস্টে সোমবার (২৯ নভেম্বর) নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬.২ ওভারে ১৫৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে সফরকারী পাকিস্তানকে ২০২ রানের লক্ষ্য দেয় টাইগাররা। জবাবে ব্যাট হাতে ভালই লড়াই করেছে পাকিস্তান। চতুর্থ দিন শেষে ১০৯ রান তুলে সফরকারীরা।

গত শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) প্রথম দিন ১১৪.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রান তুলতে সক্ষম হয় টাইগাররা। আর নিজদের প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। এর পর নিজদের দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা ভালো করতে পারেননি মুমিনুল বাহিনী। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার শাহিন আফ্রিদি জোড়া আঘাত করে বিপাকে ফেললেন স্বাগতিকদের। পঞ্চম ওভারে তিন বলের মধ্যে সাজঘরে ফিরলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম ও তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। পরের ওভারে ডানহাতি পেসার হাসান আলির শিকার হয়ে দলের বিপদ বাড়ান অধিনায়ক মুমিনুল হক।

এরপর দলের হাল ধরেন মুশফিক-ইয়াসির। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করে টাইগাররা। চতুর্থ দিন সোমবার (২৯নভেম্বর) অভিজ্ঞ মুশফিক শুরুতেই হাসান আলীর প্রথম বলে চার মারেন। কিন্তু এক বল ডট দিয়ে তৃতীয় বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন সাজঘরে ফিরেন মুশফিক। তিনি ৩৩ বলে ১৬ রান করেন। এরপর দলের হাল ধরেন লিটন-ইয়াসির। তারা দুজন বড় জুটির সম্ভাবনা দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ঠিক তখন শাহীন আফ্রিদির শর্ট বলে মাথায় আঘাত পান ইয়াসির। তিনি ৭২ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৩৬ রান করেন। এরপর ক্রিজে আসেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনি লিটনকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন। কিন্তু সাজিদ খানের ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউ হন মিরাজ। জোরালো আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। রিভিউ নেন মিরাজ, তবে লাভ হয়নি। ৪৪ বলে ১১ রান করেন মিরাজ।

এরপর ব্যাটিং করতে আসেন ইয়াসিরের কনকাশন বদলি নুরুল হাসান সোহান। তবে চতুর্থ দিন দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ দাপটেই ব্যাটিং করছেন লিটন দাস। সেই সঙ্গে টেস্ট ক্যারিয়ারে দশম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। লিটন ৮৩ বলে ৬টি চারের মারে ৫০ রান করেন।

এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১১৪ করেছিলেন তিনি। হাফসেঞ্চুরি করে দলকে এনে দিয়েছেন ২০০ রানের লিড। শেষ পর্যন্ত আউট হন শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে। লিটন ৮৯ বলে ৫৯ রান করেন। এর দুই বল পরেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আবু জায়েদ রাহী।

পাকিস্তানি বোলার আফ্রিদি ৫ উইকেট শিকার করেন।

আর- কেই / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়