ঢাবির ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাবের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন

আগের সংবাদ

সুস্থতার জন্য‌ই সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে: ডিএনসিসি মেয়র

পরের সংবাদ

পুনরায় চালু হবে ঈশ্বরদী বিমান বন্দর

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০২১ , ৬:১৯ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২১ , ৬:১৯ অপরাহ্ণ

ঈশ্বরদী বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে পাবনা-৪ আসনের সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান বিশ্বাসের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈশ্বরদী বিমানবন্দরের জন্য মোট ৪৩৬ দশমিক ৬৫ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর কাছে ২৯০ দশমিক ৭৪ একর হস্তান্তর করা হয়েছে। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) দখলে থাকা অবশিষ্ট ১৪৫.৯৯ একর জমিতে রয়েছে টার্মিনাল ভবন, রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, এপ্রোন, নেভিগেশন যন্ত্রপাতি, যোগাযোগ যন্ত্রপাতি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা ও বিমানবন্দরে প্রবেশ সড়কসহ অন্যান্য স্থাপনা। বিমানবন্দরের জন্য অধিকৃত জমি বেবিচকের অনুকূলে হস্তান্তরের পর বিমানবন্দরটি সংস্কার করে পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রাচীনতম এই বিমানবন্দর ১৯৪০-১৯৪৫ সালের মাঝা মাঝি সময়ে স্থাপিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কিছুদিন পরপরই এটি স্থাপিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই বিমানবন্দরটি হিজলি বেজ এলাকা নামে পরিচিত ছিল। ১৯৪৫ সালের ৮-২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানবাহিনীর ২০তম বোমারুবাহিনী এই বিমানবন্দরটি ব্যবহার করেছিল।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নিয়মিত এই বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা করত। এরপর বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে যায়।

দীর্ঘ ১৭ বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর ঈশ্বরদী বিমানবন্দরে বিমান চলাচল পুনরায় চালু হয়। ওইদিন বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এই বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। কিন্তু ৬ মাস ১১ দিন চালু থাকার পর ২০১৪ সালের ২৯ মে আবার বন্ধ হয়ে যায় বিমানবন্দরটি। গত সাত বছরেও এই বিমানবন্দরে ওঠা-নামা করেনি কোনো বিমান।

বিমান বন্দর চালুর বিষয়ে স্থানীয় সাংসদ ভোরের কাগজকে বলেন, বিভিন্ন দিক থেকেই ঈশ্বরদী বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ। আমি আমার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিমানবন্দরটির প্রাণ ফিরে আনতে চেষ্টা করছি। আমি আশা করছি সরকার ঈশ্বরদীবাসীর এই দাবিটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

উল্লেখ্য যে, গত ১৫ অক্টোবর বিমান প্রতিমন্ত্রী বিমান বন্দরের সম্ভাব্যতা নিয়ে ঈশ্বরদী বিমান বন্দর পরিদর্শনে আসেন।

রি-এমএকে/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়