প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপে আবেদন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত

আগের সংবাদ

লাদাখ সীমান্তে চীনা পরিকাঠামো নির্মাণ, উদ্বেগে ভারত

পরের সংবাদ

ওমিক্রন শনাক্তকারী দ. আফ্রিকার চিকিৎসক বললেন উপসর্গ কেমন

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০২১ , ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২১ , ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ

করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে সতর্কতাকারী দক্ষিণ আফ্রিকার এক চিকিৎসক বলেছেন, তার কাছে চিকিৎসা নেয়া সন্দেহভাজন কয়েক ডজন ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর শরীরে কেবল মৃদু উপসর্গ দেখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে ভর্তি না হয়েই তারা সেরে উঠছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অ্যাঞ্জেলিক কোয়েৎজি বলেন, গত ১০ দিনে তিনি অন্তত ৩০ জন করোনা রোগীর চিকিৎসা করেছেন। সে সময় তিনি তাদের দেহে ‘অপরিচিত উপসর্গ’ দেখতে পেয়েছেন। খবর রয়টার্স ও টাইমস অব ইসরায়েলের।

তিনি বলেন, এসব রোগীর ক্ষেত্রে ‍তিনি যা খেয়াল করেছেন সেটি হলো অবসাদ। তবে তরুণ রোগীর ক্ষেত্রে এ উপসর্গ ছিল একদম ‘অস্বাভাবিক।’

গত ১৮ নভেম্বর অ্যাঞ্জেলিক কোয়েৎজি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের করোনার নতুন ধরন সম্পর্কে অবহিত করেন। সে সময় ৩০ জন রোগীর মধ্যে সাত জনের দেহে অস্বাভাবিক উপসর্গ খুঁজে পান তিনি। যা করোনার অন্যান্য উপসর্গের চেয়ে ভিন্ন।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা ততক্ষণে এ ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে জেনে যান। তারা প্রথমে একে বি.১.১.৫২৯ ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে শনাক্ত করেন। যা পরবর্তীতে গত ২৫ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার কারণে বিভিন্ন দেশের সরকার ওই অঞ্চলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। একে দেশটির সরকার ‘শাস্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ওমিক্রনের ঝুঁকির ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত বলা না গেলেও বিশ্বব্যাপী এ ভ্যারিয়েন্টের ‘বহু রূপান্তর’ ও ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত করে হইচইকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাঞ্জেলিক কোয়েৎজি। এ ছাড়া গত শুক্রবার ভ্যারিয়েন্টটিকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যায়িত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর আচরণ বুঝতে তারা কাজ করছে বলেও জানানো হয়।

কোয়েৎজি বলেছেন, বলছি না, আগামীতে গুরুতর রোগ হবে না। তবে এখন পর্যন্ত আমরা যে রোগীদের দেখেছি; যাদের টিকা দেওয়া হয়নি, তাদেরও হালকা উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি নিশ্চিত যে ইউরোপে অনেকের দেহে ইতোমধ্যে ভ্যারিয়েন্টটি পৌঁছে গেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত কয়েকদিনে দেশটিতে যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের তিন-চতুর্থাংশেরই ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, বতসোয়ানা, হংকং এবং ইসরায়েলসহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে অ্যাঞ্জেলিক কোয়েৎজি বলেছেন, আমরা সংক্রমণের আরও বৃদ্ধি দেখতে পাবো।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়