প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে দেশের মেয়েরা

আগের সংবাদ

ইবি ভর্তি নির্দেশিকায় বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষিত

পরের সংবাদ

কৃষি গুচ্ছভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক এক শিক্ষার্থী

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৭, ২০২১ , ৬:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০২১ , ৬:১৭ অপরাহ্ণ

সমন্বিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) কেন্দ্রে আটক হলেন রংপুর কারমাইকেল কলেজের শাহরিয়ার ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হারুন-উর-রশিদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, সমন্বিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর হাসান। যার ভর্তি পরীক্ষার রোল নাম্বার ১২৪৩৩৯ এবং এসএসসি রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ১৫১৭৭৫৬৫৬২ ও রোল নাম্বার ২৪০১২৪ এবং তার পিতার নাম মাহাবুর আলম ও মাতার নাম লিপি আক্তার। কিন্তু সে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি। তার পরিবর্তে ২০ হাজার টাকার চুক্তিতে পরীক্ষা দিতে আসে শাহরিয়ার ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে সে টিউশন করাতো বলেও জানায় সে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার চিরির বন্দর উপজেলায়। তার পিতার নাম আব্দুল মতিন। সে নিজেকে রংপুর কারমাইকেল কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী বলে দাবি করে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীরা সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে শুরু করে। ১১টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষা শুরু হয়। উত্তরপত্রে স্বাক্ষর করার সময় প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার মিল না পেয়ে দায়িত্বরত শিক্ষক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন সে স্বাস্থ্য শুকিয়ে যাওয়ার অজুহাত দেখায়। বার বার জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে প্রক্সি দেওয়ার কথা স্বীকার করে। তখন দায়িত্বরত শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিকে বিষয়টি জানান। প্রক্টরিয়াল বডি এসে শাহরিয়ারকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুর রহমান বলেন, তাকে বার বার জিজ্ঞাসাবাদ করলেও সে ভুল তথ্য দিচ্ছে বলে আমাদের মনে হচ্ছে। এমনকি তার অভিভাবকের নাম্বার চাওয়া হলেও সে যেসব নাম্বার দিচ্ছে তার সবকয়টি বন্ধ।

এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. হারুন -উর- রশিদ বলেন, প্রক্সি দেওয়ার কথা সে স্বীকার করেছে। তার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকার কথা সে স্বীকার করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে তার নামে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করবে এবং তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে।

রি-এম/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়