ইউপি নির্বাচন সমাজের প্রেক্ষাপট

আগের সংবাদ

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৯ বছর : শাস্তি কি হবে না দায়ীদের?

পরের সংবাদ

নটরডেমের শিক্ষার্থীকে চাপা দেওয়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন সুইপার

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৫, ২০২১ , ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২১ , ১:১৮ অপরাহ্ণ

নটরডেমের শিক্ষার্থীকে চাপা দেওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি চালাচ্ছিলেন সুইপার। বুধবার (২৪ নভেম্বর) সেই গাড়িচাপায় সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর গুলিস্তানে নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান নিহত হয়েছেন বলে জানায় পল্টন থানার ওসি সালাহ উদ্দিন মিয়া।

এর আগে নিহত শিক্ষার্থীর বাবা শাহ আলম বাদী হয়ে ওই চালকের বিরুদ্ধে সড়ক ও পরিবহন আইনে মামলা করেন। ঘটনার পরপরই ওই সুইপার রাসেলকে (২৬) গ্রেপ্তার করে পল্টন থানা পুলিশ। গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার রাসেল গাড়িটির মূল চালক নয়। এ ধরনের ভারী গাড়ি চালানোর তেমন অভিজ্ঞতাও তার নেই। এ গাড়ি চালানোর কথা ছিলো হারুণ নামের এক ড্রাইভারের। সে না আসায় গাড়িটি চালায় রাসেল।

নিহত নাঈম নটরডেম কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। গতকাল সকালে সে বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে যাওয়ার জন্য বের হয়ে গুলিস্তান হল মার্কেট মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়িটি তাকে চাপা দেয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর সোয়া ১২টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রতিবাদে নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা দুপুর ২টায় কলেজের সামনে, মতিঝিল শাপলা চত্বর ও গুলিস্তান এলাকায় অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে। তারা নাঈমের মৃত্যুকে হত্যা দাবি করে চালকের ফাঁসি দাবি করে। শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড।

নাঈম লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার কাজিরখিল গ্রামের শাহ আলমের ছেলে। মায়ের নাম জান্নাতুল ফেরদৌস। তার বাবার নীলক্ষেতে বইয়ের ব্যবসা রয়েছে। কামরাঙ্গীর চর ঝাউলাহাটি চৌরাস্তা এলাকায় নিজেদের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকত সে। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল ছোট।

নাঈমের বড় ভাই মুনতাছির মামুন বলেন, বুধবার বিকেলে নাঈমের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর তার মরদেহ কামরাঙ্গীর চরের বাসায় নেওয়া হয়। সেখান থেকে মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডিএসসিসির পরিবহন বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, রাসেল ডিএসসিসির নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো চালক না। তিন বছর আগে রাসেল যখন ডিএসসিসিতে ক্লিনার হিসেবে কাজ করতেন, তখনও তিনি সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি চালাতেন। এরপর তার চাকরি চলে গেলেও গাড়ি চালানো বন্ধ হয়নি।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়