মাহমুদুল্লাহর রোমাঞ্চে কুর্নিশ ক্রিকেট বিশ্বের

আগের সংবাদ

ঢামেকের করোনা ইউনিটের পাশে যুবকের লাশ উদ্ধার

পরের সংবাদ

কুমিল্লায় সহযোগীসহ কাউন্সিলরকে গুলি করে হত্যা, মামালার প্রস্তুতি

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৩, ২০২১ , ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২১ , ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিহত আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ সোহেলের মৃত্যুর ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ কাউকে আটকও করতে পারেনি।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৮ টায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার উপ পরিদর্শক চিরন্জিব জানান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

যেখানে কাউন্সিলর সোহেলকে হত্যা করা হয়। সেখানে সকাল থেকে শত শত শোকার্ত মানুষের ভিড় দেখা গেছে। ওই এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। লাশ এখনো কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র সৈয়দ মো. সোহেল (৫০) ও স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হরিপদ দাসকে বিকাল ৪টায় নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাথুরিয়া পাড়ায় কাউন্সিলরের ব্যক্তিগত কার্যালয়ের সামনে গুলি করে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত্যুর বিষয়টি রাত সাড়ে ৮টায় নিশ্চিত করেন কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন নিহত কাউন্সিলরের মাথায় ও শরীরে ৯টি গুলি করা হয়েছে। এ দিন রাত ৯টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহত কাউন্সিলর সোহেলের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।

আহতরা হলেন আবদুল জলিলের ছেলে মাজেদুল হক বাদল (৩৯), দৌলত মিয়ার ছেলে জুয়েল (৪০), ফজলুল করিমের ছেলে এড. সোহেল চৌধুরী (৪৩), সুরুজ মিয়ার ছেলে রাসেল (২৯), খোরশেদ মিয়ার ছেলে আউয়াল হোসেন রিজু (২৩)।

সৈয়দ মো. সোহেল (৪৮) কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়রও ছিলেন। তার বাড়ি নগরীর পাথুরিয়া পাড়ায়। ২০১২ ও ২০১৭ সালে তিনি কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি প্যানেল মেয়র ছিলেন। মো. সোহেল সুজানগর এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে। ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল চারটায় কুমিল্লা নগরের পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসা ছিলেন কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল। এ সময় কালো মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত কার্যালয়ে ঢুকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পিস্তলের গুলি তার মাথায়, বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাগে। এ সময় আরও অন্তত ছয়জন গুলিবিদ্ধ হন। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সোহেল (৪৮) ও হরিপদ (৩৫) মারা যান। গুলিবিদ্ধ অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়