বাস-লঞ্চ-ট্রাকের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি সিপিবির

আগের সংবাদ
মোবাইল নেট

অব্যবহৃত মোবাইল ডাটা যুক্ত হবে নতুন প্যাকেজে

পরের সংবাদ

জনগণকে জিম্মি করে ভাড়া বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়: মেনন

প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০২১ , ৮:৪৫ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২১ , ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

ডিজেলের মূল্য বাড়ার অজুহাত দেখিয়ে মালিক-সরকার আঁতাতের মাধ্যমেই পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এখানে জনগণের প্রতি সরকার ও মালিকপক্ষ কারও কোনো দায়বদ্ধতা কাজ করেনি। জনগণকে জিম্মি করে ভাড়া বাড়ানোর জন্য যে নাটক করা হলো তা কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জ্বালানী মূল্য ও পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদী সমাবেশে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগরের বিক্ষোভ সমাবেশে মেনন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কেবল পরিবহন ভাড়া বাড়ানোই নয়, একলাফে ডিজেল লিটার প্রতি ১৫ টাকা মূল্যবাড়ান গ্রহণযোগ্য নয়। এক্ষেত্রেও জনগণ নয়, বিপিসি-র লাভকেই দেখেছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানী তেলের মূল্যবাড়ান বাস্তবতা। পাশের দেশ ভারতের সরকার সেখানে রাজস্ব কমিয়ে মূল্যবাড়ান কম রাখার চেষ্টা করেছে। এ ক্ষেত্রে সরকার সার্বিক অর্থনীতির স্বার্থে, জনগণের জীবন যাত্রার ব্যয়বেড়ে যাওয়া কোনটাই বিবেচনায় নেয়নি। জ্বালানীর মূল্য বাড়ায় বিপিসি-র যেখানে ৩ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতো সেখানে ঐ লোকসান ঠেকাতে যে মূল্যবাড়ান হলো তাতে কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎখাত ও জনগণের জীবন যাত্রায় হাজার কোটি টাকার লোকসান গুনতে হবে। সরকারের “লাভের গুড়, পিঁপড়ায় খেয়ে নেবে।

মেনন বলেন, বাংলাদেশের জনগণের এখন যাবার কোনো জায়গা নাই। মূল্যবাড়ার প্রশ্নে বিএনপি সরকার উৎখাতের যে শ্লোগান দিচ্ছে তা ফাঁপা বুলি। কারণ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা আরও অধিক হারে কেবল মূল্য বাড়ানোই নয়, প্রতিবাদী জনগণকে গুলি করে হত্যা করতে পর্যন্তও দ্বিধা করে নাই। এ কারণে সাধারণ মানুষকেই আজ নিজেদের সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদ জানাতে হবে। মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করতে হবে। এক্ষেত্রে ওয়ার্কার্স পার্টিকে জনগণকেই সংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ওয়ার্কার্স পার্টি জনগণের এই সংগ্রামের পাশে আছে ও থাকবে।

প্রতিবাদী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধ আবুল হোসাইন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়, শহীদ রাসেল ব্রিগেডের প্রধান সমন্বয়কারী সাদাকাত হোসেন খান বাবুল, মহানগর কমিটির সদস্য শাহানা ফেরদৌসী লাকী, আব্দুল আহাদ মিনার প্রমুখ।

রি-এনআরআর/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়