দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে চকবাজা‌রের আগুন

আগের সংবাদ

বাংলাদেশিদের জন্য দ্বার খুলল দক্ষিণ কোরিয়া

পরের সংবাদ

আইনের প্রয়োজন হবে না প্রতিজ্ঞা করুন ভেজাল দেব না

প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০২১ , ৯:২৮ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২১ , ৯:২৮ অপরাহ্ণ

গুড এগরিকালচারাল প্রাকটিস জরুরী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতিরি একজন প্রতিনিধির কথায় শুনলাম তারা ক্ষিপ্ত। তিনি বলেছেন আইনের প্রকৃত ভাষা না বুঝে তা প্রয়োগ করা ঠিক না। আমি উনার সঙ্গে একমত পোষণ করছি। আরো বলেছেন ৬০ হাজার রেস্টুরেন্ট মালিক ঐক্যবদ্ধ আজ। সে জন্য আমি আপনাদের সাধুবাদ জানাই। তবে সম্মান রেখে বিনয় সঙ্গে বলতে চাই আপনাদের ওপর আইন প্রয়োগ করার কোনো প্রয়োজন নাই যদি আপনারা এভাবেই ঐক্যবদ্ধ থাকেন। আর এখানে উপস্থিত সাংবাদিকরেদর সামনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিজ্ঞা করুন আমরা ভেজাল দেবো না। সঠিকভাবে মানুষকে নির্ভেজাল ও উপযুক্ত খাদ্য সরবরাহ করবো। আপনাদের কাছে আইন যাবে না প্রয়োজন হবে না। সেই প্রতিজ্ঞা কি আদৌ করতে পারবেন। ঐক্যবদ্ধতো হয়েছেন।

নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ ও বিধি-প্রবিধি সম্পর্কে অবহিতকরণ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম-শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথীর বক্তব্যে এসব কথা বলেন খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল বলরুমে মঙ্গলবার সকালে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা সম্পাদক শাইখ সিরাজ ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব আবদুল কাইউম সরকার।

মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে আমরা কাজ করছি। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের ৮টি বিভাগে ল্যাবরেটরী নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ৬ মাসের মধ্যে তা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। পাশাপাশি প্রত্যেক বিভাগে মোবাইল ল্যবরেটরী করা হচ্ছে। ফলে ডাকলেই জেলা-উপজেলায় পৌঁছে যাবে ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরী। এছাড়াও কেন্দ্রীয়ভাবে নারায়গঞ্জে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ল্যবরেটরী নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জাইকার সঙ্গে আমাদের চুক্তিও হয়েছে। যেহেতু ল্যাবরেটরী নাই তাহলে কিভাবে সাজা দিচ্ছেন প্রশ্ন উঠতে পারে? তাই বলবো চোখের দেখাতেও অনেক কিছু বোঝা ও দেখা যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই কাজ চলছে। ল্যাবরেটরী হলে যে আরো কি হতে পারে তা ভেবে আমরা যে যেখানেই আছি তার জায়গা থেকে মেধাবী প্রজন্ম ও সন্তান গড়তে চাইলে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের বিষয়ে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। গণমাধ্যম এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শাইখ সিরাজ সমন্বয়হীণতার কথা উল্লেখ করে বলেন, শুধু খাদ্য নয়, কৃষি, মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়সহ আরো যারা জড়িত রয়েছে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করে আরো কাজে লাগাতে হলে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। উৎসাহের জন্য অ্যাওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। গুড এগরিকালচারাল প্রাকটিস করতে হবে। এর অভাবেই আমরা বাইরে খাবার রপ্তানী করে কোটি-কোটি ডলারের বিনিয়োগ হারাচ্ছি।

রি-এআরজে/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়