টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

আগের সংবাদ

পাটুরিয়ায় চার কিলোমিটার গাড়ির দীর্ঘ সারি

পরের সংবাদ

ধর্ম নিয়ে কটূক্তি: বহিষ্কৃত জবি শিক্ষার্থী তিথি সরকারের বিচার শুরু

প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০২১ , ৩:৪৮ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২১ , ৩:৫০ অপরাহ্ণ

ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বহিষ্কৃত দপ্তর সম্পাদক তিথি সরকারের বিরুদ্ধে পল্টন থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) ওই মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। এ জন্য তিথি সরকার ও তার স্বামী শিপলু সরকার আদালতে গিয়ে নিজেদেরকে নির্দোষ দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। তাদের পক্ষের আইনজীবী এ অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন। তবে এর বিরোধিতা করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন তিথির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। অন্যদিকে শিপলু মল্লিককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩১ অক্টোবর সিআইডির সাইবার মনিটরিং টিম দেখতে পায়, সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ের চারতলা থেকে তিথি সরকারকে ‘হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে’ বলে একটি মিথ্যা পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয়। এটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রকৃতপক্ষে সিআইডিতে এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এ ঘটনার তদন্তে নেমে গুজব রটনাকারী নিরঞ্জন বড়াল নামের এক ব্যক্তিকে রামপুরার বনশ্রী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিরঞ্জনসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে গত ২ নভেম্বর পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করা হয়। পরে তিথি সরকার ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর চলতি বছরের ১৯ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান তাদের দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তিথি সরকার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে মন্তব্য করে আসছিলেন। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে সেসব পোস্ট ও কমেন্টের স্ক্রিটশর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপ ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ভাইরাল হলে সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা তিথি সরকার ছাত্র অধিকার পরিষদে যুক্ত থাকার বিষয়ে সংগঠনটির প্রতি নিন্দা জানায়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে বহিস্কারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের মুখে সে বছরের ২৬ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তিথি সরকারকে সাময়িক বহিষ্কার করে। একই অভিযোগে তিথি সরকারকে ছাত্র অধিকার পরিষদের জবি শাখার দপ্তর সম্পাদক থেকেও বহিস্কার করা হয়।

আর- আরএ / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়