কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামাতে মোদির প্রতিশ্রুতি

আগের সংবাদ

জলবায়ু নীতিতে নারীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে: শেখ হাসিনা

পরের সংবাদ

টাইগারদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেসে খেলে জিতল প্রোটিয়ারা

প্রকাশিত: নভেম্বর ২, ২০২১ , ৭:০৭ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২১ , ৭:০৭ অপরাহ্ণ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাট হাতে লড়াই করতে পারেনি মাহমুউদউল্লাহ রিয়াদ বাহিনী। সব উইকেট হারিয়ে ১৮.২ ওভারে ৮৪ রান তুলতে সক্ষম হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এত মামুলি রানের জবাবে ৬ উইকেটে জিতেছে দক্ষিন আফ্রিকা।

তবে এত অল্প রানের লক্ষে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। তাসকিনের গতির সামনে রিজা হেনড্রিকস বেশিক্ষন ক্রিজে টিকে থাকতে ব্যর্থ হন। তিনি ব্যক্তিগত ৪ রানে আউট হন। ৪ ওভারে স্কোর বোর্ডে ২০ রান ওঠার পর মেহেদি হাসানের ওপর চড়াও হয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। টাইগার অফ স্পিনারকে টানা দুই চার মেরেছেন এ ব্যাটসম্যান। তবে এক বল বিরতি দিয়ে এই স্পিনারের কাছে উইকেট হারান তিনি। ১৫ বলে তিন চারে ১৬ রান করা ডি কককে বোল্ড করেন মেহেদি। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ ফের ব্যাটিং অর্ডারে আঘাত করেন। পঞ্চম বলে এইডেন মার্করাম রানের খাতা না খুলেই স্লিপে মোহাম্মদ নাঈমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। দলীয় ৩৩ রানে ৩ উইকেট হরালেও চাপে পড়েনি প্রোটিয়ারা। কারণ এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ও রাসি ফন ডার ডুসেনে। তবে তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ২২ রানে সাজ ঘরে ফিরেন ডুসেন।

এদিন আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে টাইগাররা। প্রোটিয়া বোলার কাগিসো রাবাদার তোপে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ দলীয় ২৪ হারায় ৩উইকেট। পাঁচ বলের ব্যবধানে তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে পাঠান প্রোটিয়া পেসার। তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৯ রানে সাজঘরে ফিরেন নাইম। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে রাবাদাকে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ হন। পরের বলে আউট সৌম্য সরকারও। রাবাদার দুর্দান্ত এক ইয়র্কার ডেলিভারি মিস করে প্যাডে লাগে বাঁহাতি এই ব্যাটাসম্যানের। আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতে সিদ্ধান্ত বদলে যায়।

গোল্ডেন ডাকে ফেরেন সৌম্য। এরপর উইকেটে আসেন মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু শূণ্য রানে আউট হয়ে মুশফিক হতাশাই উপহার দিয়েছেন। এরপর ক্রিজে আসেন টাইগার দলপতি মাহমুদউল্লাহ। তিনিও বেশিক্ষন টিকতে পারেনি। ব্যক্তিগত ৩ রানে সাজঘরে ফিরেন। মাহমুদউল্লাহর পর ক্রিজে নেমে প্রথম বলেই ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের কাছে বোল্ড আফিফ হোসেন। ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে এসে বড় শট খেলতে যান, টাইমিং হয়নি। ভেঙে যায় স্টাম্প। এদিন তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে শূন্যের মুখ দেখলেন আফিফ। দলীয় ৩৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকে টাইগাররা। তবে চাপ সামলে লড়াই করার আভাস দিচ্ছিল লিটন দাস। কিন্তু তিনি দুঃসময়ে বাংলাদেশকে পথে তুলতে পারলেন না। ৩৬ বলে ১ চারে ২৪ রান করে তাবরাইজ শামসির বলে আউট হন লিটন।

এরপর ক্রিজে আসেন যুব বিশ্বকাপ জয়ী অলরাউন্ডার শামীম হোসেন পাটোয়ারী। কিন্তু বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচ স্মরণীয় করতে পারলেন না তিনি। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রসংশা কুড়ালেও এই ম্যাচ খেললেন ধীরগতির ইনিংস। শামীম ১১ রানে আউট হন। এরপর মেহেদি একাই লড়াই করেন। তাকে সঙ্গ দিতে পারেনি কেউ। মেহেদি ২৫ বলে ২চার ও ১ছক্কায় ২৭ রান করে আউট হন।

দক্ষিন আফ্রিকার পক্ষে বল হাতে কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্টিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।

রি-কেই/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়