বিয়েতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

আগের সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে ঝুঁকি, বাড়ছে উদ্বাস্তু

পরের সংবাদ

লজ্জা থেকে বাঁচল অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩০, ২০২১ , ৯:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২১ , ৯:৪৯ অপরাহ্ণ

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলতে নামে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। ম্যাচটিতে প্রথমেই ধসে যাওয়ার উপক্রম হয় অস্ট্রেলিয়ার। তারা দলীয় মাত্র ২১ রানে নিজেদের প্রথম চারটি উইকেট হারায়। এর ফলে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে কম রান করার লজ্জার রেকর্ড নতুন করার শঙ্কায় পরে তারা। তবে মিডল অর্ডার ও লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় এই যাত্রায় বেঁচে যায় তারা। তাছাড়া ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চও দলের বিপদের সময় মাটি আকড়ে ধরে খেলতে থাকেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন তিনিই। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান আসে অ্যাস্টন আগারের ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে অজিরা ১২৫ রান করতে সমর্থ হয়। ইংল্যান্ডের হয়ে ম্যাচটিতে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট তুলে নেন ক্রিস জর্ডান। তিনি ম্যাচের ১৯তম ওভারে ফিঞ্চ ও প্যাট কামিন্সকে পর পর দুই বলে ফেরান।

২০১৪ সালে বাংলাদেশে হওয়া বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৮৬ রানে অলআউট হয়েছিল অজিরা। এরপর বিশ্বমঞ্চে আর কখনো ১০০ এর কম রান করেনি তারা। যদিও শনিবার ইংলিশদের বিপক্ষে প্রথমে বড় রকমের ধাক্কা খেয়ে প্রায় ধসেই গিয়েছিল তারা। বিশ্বকাপে তাদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান হলো ১১৭। ২০১২ সালে কলম্বোতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রান করেছিল তারা। এখন ইংলিশদের বিপক্ষে এই রান তাদের বিশ্বকাপে তৃতীয় সর্বনিম্ন রান।

ইংল্যান্ড আগের দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে বোলারদের নৈপুণ্যেই জয় পায়। শনিবারও শুরুতে ডেভিড ওয়ার্নারকে মাত্র ১ রানে ফেরান ক্রিস উকস। তখন দলের রান মাত্র ৭। এরপর ওয়ার্নারের মতো ১ রান করেই আউট হন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আস্থার ব্যাটসম্যান স্টিভ স্মিথ। তিনি ৮ রানের সময় ক্রিস জর্ডানের বলে আউট হন। এরপর দলীয় ১৫ রানের সময় ৬ রান করে গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল ক্রিস উকসের বলে এলবিডব্লিউ আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। দল যখন চরম বিপদে তখন দলীয় ২১ রানের সময় মার্কাস স্টোনিস কোন রান না করেই সাজঘরে ফিরে যান। এ সময় ক্রিজে আসেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ম্যাথু উয়েড। তিনি ফিঞ্চের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়ার দিকে মনযোগ দেন। তবে ১৮ রান করে দলীয় ৫১ রানের সময় লিয়াম লিভিংস্টোনের বলে ক্যাচ আউট হয়ে তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন। কিন্তু একপাশ আগলে ধরে রাখেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তাকে এরপর সঙ্গ দিতে থাকেন অ্যাস্টন আগার। ক্রিজে একটু থিতু হওয়ার পর হাত খুলে মারতে থাকেন তিনি।

তাছাড়া ওভারও শেষ হয়ে আসছিল ফলে চার ছক্কা মারা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। তবে দলীয় ৯৮ রানের সময় আগার ২০ রান করে টাইমাল মিলসের বলে ক্যাচ আউট হন। বাউন্ডারির কাছ থেকে তার ক্যাচটি লুফে নেন লিভিংস্টোন। এরপর বাউন্ডারি হাঁকানো শুরু করেন ফিঞ্চও। তবে অবশেষে তিনি দলীয় ১১০ রানের সময় ক্রিস জর্ডানের বলে ক্যাচ আউট হন। জর্ডানের পরের বলেই বোল্ড আউট হন প্যাট কামিন্স। তিনি ৩ বল খেলে ১২ রান করে। এরপর দলীয় ১১৯ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন অ্যাডাম জাম্পা।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়