ডেঙ্গুতে আরও ১৭৩ জন হাসপাতালে

আগের সংবাদ

বিসিএসসহ ১৩ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবার

পরের সংবাদ

জাহাঙ্গীরনগরে হলে থাকতে পারবেন না ভর্তিচ্ছুরা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২১ , ৭:১৪ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২১ , ৮:৪২ অপরাহ্ণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তিচ্ছুরা ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকতে পারবেন না। গত মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বছর ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ভর্তি-ইচ্ছুক, তাঁদের আত্মীয়স্বজন অথবা বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময় সারা দেশ থেকে ভর্তি-ইচ্ছুক ও তাঁদের আত্মীয়স্বজনেরা আসবেন। তাদের মধ্যে করোনাভাইরাস আছে কি না, টিকা দেওয়া আছে কি না, তাৎক্ষণিক সেসব বিষয় যাচাই করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় ভর্তিচ্ছুদের হলে থাকতে দিয়ে শিক্ষার্থীদের আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। সরকার নির্দেশনা দিয়েছে যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি সংক্রমণ অনেক বেশি হয়, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হবে। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে আবার বন্ধ করার দিকে যেতে পারি না আমরা।

ভর্তিচ্ছুদের নিজ ব্যবস্থাপনায় থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

৩০ নভেম্বর হলে ‍উঠতে পারবেন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ৩০ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে উঠতে পারবেন প্রথম বর্ষের (৪৯তম ব্যাচ) শিক্ষার্থীরা। ওই দিন থেকে ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হলে উঠতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত যেহেতু ভর্তি পরীক্ষা চলবে, সেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকবে। এরপর ৩০ নভেম্বরে টিকা নেওয়া সাপেক্ষে হলে উঠবেন তারা।

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের গণরুমেই থাকতে হবে জানিয়ে মুজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীরা গণরুমে থাকলেও তাঁদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হবে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ না হওয়ায় এবং বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা থাকায় অনেকেই হল ছাড়ছেন না। তাঁদের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

১১ অক্টোবর ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছাড়া বাকি সব ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হয়। ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হয় সশরীর ক্লাস-পরীক্ষা। তবে অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হলে উঠতে না পেরে ওই দিন মানববন্ধন করেন ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শিগগির হলে ওঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়