ডেটা সামিট: এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে উম্মুক্ত ডেটা

আগের সংবাদ

ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার: স্পিকার

পরের সংবাদ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে লজ্জায় ফেলল ইংল্যান্ড

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৩, ২০২১ , ৯:৩৩ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২১ , ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাজে শট খেলে মাত্র ৫৫ রানেই গুটিয়ে গিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বনিম্ন রানের লজ্জার রেকর্ড গড়েছে তারা। তাছাড়া ম্যাচটিতে ইংল্যান্ডের ফিল্ডারদের পারফরমেন্স ছিল চোখে পরার মতো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দশ ব্যাটসম্যানের মধ্যে সাতজনই হন ক্যাচ আউট। আর যতবারই ক্যাচ উঠেছে তার একটিও তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হননি ইংলিশ ফিল্ডাররা। ম্যাচটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধসিয়ে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন আদিল রশিদ। তিনি মাত্র ২ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা সবচেয়ে ভালো বোলিংয়ের রেকর্ড।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইংলিশদের বিপক্ষে টসে হেরে শনিবার (২৩ অক্টোবর) প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৫৫ রানেই গুটিয়ে গেছে তারা। বিশ্বকাপে এটি তাদের সর্বনিম্ন রানের লজ্জাজনক রেকর্ড। এর আগে বিশ্বকাপে সর্বনিম্ন ১০১ রান করেছিল তারা। সেটি ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওভালের মাঠে হয়েছিল। তাছাড়া নিজেদের টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান। ২০২০ সালে এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই মাত্র ৪৫ রানে অলআউট হয়েছিল দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এখন এই ইংল্যান্ডই তাদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিল। তাছাড়া বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি তৃতীয় সর্বনিম্ন রান। ৩৯ ও ৪৪ রান করে প্রথম ও দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের লজ্জার রেকর্ডটির মালিক হলো নেদারল্যান্ডস।

ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানকে সাজ ঘরে ফিরিয়ে সতীর্থের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন ক্রিস ওকস

ম্যাচটিতে শুরুতেই ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ৮ রানের মাথায় এভিন লুইস মাত্র ৬ রান করে ক্রিস উকসের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যান। এরপর ক্রিজে আসেন ক্রিস গেইল। তবে অপর ওপেনার লেন্ডি সিমন্সও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকতে পারেননি। তিনি মঈন আলীর বলে ক্যাচ আউট হন। এরপর দায়িত্ব এসে পরে ক্রিস গেইলের উপর। তিনি দেশেশুনে খেলার নীতি নিয়ে খেলতে থাকেন। তাকে পাশে থেকে সঙ্গ দেয়ার চেস্টা করেন শিমরন হেটমায়ার। কিন্তু বেশিক্ষণ ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারেননি তিনি। দলীয় ২৭ রানের সময় ৯ রান করে মঈন আলীর বলেই ক্যাচ আউট হন তিনি। হেটমায়ারের মতো ধৈর্য্য হারান ক্রিস গেইলও। তিনি দলীয় ৩১ রানের সময় ১৩ রান করে তাইমাল মিলসের বলে ক্যাচ আউট হন বাজে একটি শট খেলে। এরপর দলীয় ৩৭ রানের সময় ডোয়াইন ব্রাভো ক্রিস জর্ডানের বলে ক্যাচ আউট হন। তিনি আউট হওয়ার মাধ্যমে স্বীকৃত সব ব্যাটসম্যানের বিদায় ঘটে। এরপর শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ কত রান করতে পারবে এটিই দেখার বিষয় ছিল।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়