নিরাপদ সড়কের সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

আগের সংবাদ

এম মনসুর আলীর দৌহিত্র শেহেরিনের ওপরে হামলা, আহত ২

পরের সংবাদ

ওপেনিং সমস্যা কাটিয়ে উঠবে টাইগাররা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২২, ২০২১ , ১০:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২১ , ১০:০১ অপরাহ্ণ

গত এক বছর ধরে টাইগার ওপেনিং জুটি যেন ভঙ্গুর অবস্থায়। কখনো সৌম্য সরকার, কখনো লিটন দাস আবার কখনো নাইম শেখ, কিন্তু নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না কেউই। আর টি-টোয়েন্টিতে সে সমস্যায় আরও বেশি ভুগছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল এই সংস্করণে দীর্ঘদিন না থাকায় তার জায়গায় সুবিধা করতে পারছেন না অন্য ওপেনাররাও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসরে তার অভাবটা ভালো করেই টের পাচ্ছে বাংলাদেশ। এদিকে গত এক বছরে ওপেনিংয়ের দায়িত্ব পালন করা লিটন, সৌম্য বা নাইম কারো পারফরম্যান্সই আদর্শ ওপেনারের জায়গায় নেই। চলতি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের তিন ম্যাচেও একই চিত্র। তবে সুপার টুয়েলভে টাইগার ওপেনাররা নিজেদের মেলে ধরবেন সেই প্রত্যাশা সমর্থকদের।

টি-টোয়েন্টিতে যে বাংলাদেশের উন্নতি খুব একটা সুদূরপ্রসারী নয় তার প্রমাণ বিশ্বকাপের মূল পর্বে যেতে বাছাইপর্বের ম্যাচে অংশগ্রহণ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে সিরিজ হারিয়ে উন্নতির জানান দেন। কিন্ত সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আইসিসির সহযোগী রাষ্ট্র স্কট্যল্যান্ডের বিপক্ষে হার বাংলাদেশের প্রস্তুতির ঘাটতিই ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ওপেনিং জুটিতে বাংলাদেশের অবস্থা খুবই হতাশাজনক। ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছেন না, আবার পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রান রেট ও টি- টোয়েন্টির জন্য মানান সই হচ্ছে না। ওপেনিংয়ে ভঙ্গুর দশার চিত্র বাছাইয়ের শেষ তিন ম্যাচের সাহায্যই তুলে ধরা যাক।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৩৪ রানে। এই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার শুরুটা হয় ওপেনিং জুটি দিয়েই। দলীয় ৮ রানে বাংলাদেশ হারায় প্রথম ওপেনারকে। আর দলীয় ১৮ রানের মধ্য দুই ওপেনারই সাজঘরে। অথচ একটি ম্যাচের ভিত গড়ে দেন দলের ওপেনাররাই। সব ম্যাচে ওপেনাররা ভালো করবেন এমনটাও প্রত্যাশা করা যায় না। তবে দুই ওপেনারের একজনকে তো অবশ্যই দলকে সামনে থেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় টাইগার ওপেনাররা তাদের এই দায়িত্বপালনে ব্যর্থতার পরিচয়ই দিয়ে যাচ্ছেন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে লিটন কুমার দাস ৭ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন। আর বারবার সুযোগ পাওয়া সৌম্য সরকার নিজেকে অযোগ্য দাবি করে ফিরে যান ৫ বলে ৫ রান করে। দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশ অবশ্য ওপেনিংয়ে পরিবর্তন আনেন। সৌম্যের জায়গায় ওপেনিংয়ে খেলতে আসেন নাইম শেখ। তবে এই ম্যাচেও আলোর মশাল জ্বালাতে পারেননি লিটন। দলীয় ১১ রানের সময় ব্যক্তিগত ৬ রানে ফিরে যান তিনি। এই ম্যাচে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ৮৫.৭১, যা টি-টোয়েন্টির সঙ্গে একেবারেই মানানসই নয়। তবে নাইম এই ম্যাচে যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে অর্ধশতক তুলে ধরেন। তিনি এই ম্যাচে ৫০ বল খেলে ৬৪ রান সংগ্রহ করেন।

বাংলাদেশ যখন ভাবছে ওপেনিংয়ের সমস্যা তাহলে মিটতে চলেছে, কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে আবারও সেই চিরচেনা রূপ ধরা দিল। পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমে আগের ম্যাচের মশাল জ্বালানো নাইম ফিরে যান শূন্য হাতে। লিটন এদিন ধরে খেলার চেষ্টা করলেও খুব বেশি নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ২৩ বলে ২৯ রান করে তিনি সাজঘরে ফেরেন। তবে তার ব্যাটিংয়ে আত্মবিশ্বাসের ছিঁটেফোঁটাও দেখা যায়নি।

আর- ই / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়