বাঁচা-মরার ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

আগের সংবাদ

দলে ফিরলেন নাঈম, বাদ সৌম্য

পরের সংবাদ

প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ: ‘জাগো মানুষ রুখে দাও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস’

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯, ২০২১ , ৭:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২১ , ৭:৫৪ অপরাহ্ণ

কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজামণ্ডপ, বাড়িঘর ও দোকানপাটে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘জাগো মানুষ রুখে দাও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস’ ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে কুমিল্লা, রংপুরসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানের সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে এ সময় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক, লেখক পারভেজ হোসেন, কথাসাহিত্যিক শাহেদ কায়েস, চলচ্চিত্রকার অমিতাভ রেজা, লেখক ঝর্না রহমান, মোজাফফর হোসেন, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী মকবুল হোসাইনসহ অনেকে।

একই সঙ্গে তারা সাম্প্রদায়িক শক্তির বিপক্ষে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আগামী শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ কর্মসূচি আহ্বান করেছেন।

সমাবেশে সাহিত্যিক স্বকৃত নোমান কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী-সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ৮ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করা; রামু, নাসিরনগর, শাল্লা, কুমিল্লা, হাজীগঞ্জ, নোয়াখালী ও রংপুরে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার প্রকৃত কারণ জনসম্মুখে প্রকাশ করা ও প্রতিটি ঘটনার বিচার করা; অতীতে সাম্প্রদায়িক হামলার হোতা অভিযুক্ত অনেক ব্যক্তিকে রাজনৈতিক দলে প্রকাশ্যে কর্মরত দেখা যায়, তাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার ও বিচার করা; ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ধর্মসভা তথা ওয়াজ মাহফিলে সাম্প্রদায়িক ও নারীবিদ্বেষমূলক বক্তব্য বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া; স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক থেকে সাম্প্রদায়িক পাঠ বিলুপ্ত করে অসাম্প্রদায়িক পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা; বহুজাতি এবং বহু ধর্ম সম্প্রদায়ের এই দেশের সংবিধান থেকে ‘রাষ্ট্রধর্ম’ বাতিল করা; সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সরকারি উদ্যোগে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের আয়োজন করা; সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সারা দেশের সংস্কৃতিচর্চার (নাটক, গান, নৃত্য, যাত্রাপালা, পালাগান, বাউলগান) প্রসার ঘটানো; পাশাপাশি স্বাধীন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে সরকারি পৃষ্টপোষকতায় প্রাণিত করা; দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে পাঠাগার ও সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা।

রি-এসবি/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়