বাংলাদেশ থেকে সোর্সিং বাড়ানোর পরিকল্পনা বেনেটনের

আগের সংবাদ

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন না হওয়া দুঃখজনক: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

পরের সংবাদ

সাধারণ মানুষও সরকারি সিকিউরিটিজ কেনাবেচা করতে পারবে

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৪, ২০২১ , ৬:৫৫ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২১ , ৬:৫৫ অপরাহ্ণ

সরকারি সিকিউরিটিজ মার্কেটে লেনদেন করার স্বপ্ন ছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। আজ সে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে জানিয়ে শামসুদ্দিন বলেন, এ কাজটি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিশাল অর্জন। সরকারি সিকিউরিটিজের প্রতিবন্ধকতা হলো- এর সঙ্গে সবাই সংযুক্ত থাকতে পারতো না। কিন্তু আজ যে কাজটি শুরু হলো, এতে আগামীতে সাধারণ মানুষ সরকারি সিকিউরিটিজ কেনাবেচা করতে পারবে। এটা আরও ব্যাপক হারে বাড়বে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সরকারি সিকিউরিটিজ পরীক্ষামূলক চালু হওয়া উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বিএসইসির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের টেডিং প্ল্যাটফর্মে বহুল প্রতিক্ষিত সরকারি ট্রেজারি বন্ডের একটি লেনদেন পরীক্ষামূলকভাবে সম্পন্ন হয়।

বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লেনদেন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এসময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল, সিসিবিএল, ব্রোকারেজ হাউজ এবং বিনিয়োগকারী হিসেবে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে লেনদেন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে আমি চাই আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই এটিকে যেন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা যায়। এজন্য সব ধরনের সহায়তা করা হবে। ডিএসইতে পরীক্ষামূলকভাবে সরকারি সিকিউরিটিজ চালু করার বিষয়ে আপনারা অনেক পরিশ্রম করেছেন। আমি গত দেড় বছর ধরে অপেক্ষা করছি এ দিনটি দেখার জন্য। তিনি বলেন, তবে মনে রাখতে হবে, এ কাজের প্রক্রিয়াগুলোর সহজ করতে হবে। যত বেশি কাজের প্রক্রিয়া সহজ করব, ততবেশি মার্কেট বড় হবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়পক্ষ সংযুক্ত থাকবে।

এ কাজে সেবাটিকে বাড়াতে সব ধরনের অটোমেশন বা ডিজিটালাইজেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে লাখ লাখ মানুষ সিকিউরিটিজ কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। এটি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের আওতায় আনা হলে, ডিপি আইডি ছাড়াও বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) আইডি যুক্ত করতে হবে। এতে সরকারি সিকিউরিটিজের মার্কেট বাড়বে। যেহেতু আমাদের বিও আইডির সংখ্যা বেশি, সেহেতু তাদের আরও সহজ করে এ কাজের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যাতে সার্বিকভাবে অপারেশনাল খরচ কমে আসতে পারে এবং এতে করে বিশাল সরকারি সিকিউরিটিজ মার্কেটকে আমরা সামনে নিয়ে আসতে পারব।

তিনি আরও বলেন, এ সভায় অনেকেই নেই, যারা এ কাজের জন্য অনেক নির্দেশনা ও উৎসাহ দিয়েছেন। এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি সব সময় চেয়েছেন, স্টক এক্সচেঞ্জে সরকারি সিকিউরিটিজ চালু করা যায়। এ ছাড়া বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এখানে যোগদানের পর থেকেই এ কাজটি যত দ্রুত সম্ভব করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন।

পাশাপাশি কাজের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সব সময় একাজের জন্য সহায়তা করা চেষ্টা করেছেন। আর আমাদের সব সময়ের সহযোগিতা করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এছাড়া সিডিবিএল, ডিএসই, সিএসই, ব্রোকার, ডিলারসহ সব স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে সরকারি সিকিউরিটিজ চালু করা সম্ভব হয়েছে।

আর- এমএস / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়