৪৫ বছর পর দেখা দুই বন্ধুর

আগের সংবাদ
ফাইল ছবি

তৃতীয় ধাপে ১০০৭ ইউপি ও ১০ পৌরসভায় নির্বাচন ২৮ নভেম্বর

পরের সংবাদ

‘পাকিস্তানীদের দোসরেরাই ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে’

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৪, ২০২১ , ৩:১৩ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২১ , ৪:২৯ অপরাহ্ণ

পঞ্চগড়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীদের আমরা এদেশ থেকে বিতাড়িত করি। দেশ পরিপূর্ণ স্বাধীন হয়। কিন্তু পাকিস্তানের দোসর আল বদর, আল শামস তারা কি বাংলাদেশ ছেড়ে গিয়েছিল? তারা এখনো এদেশে রয়ে গেছে, পঞ্চগড়েও রয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তিনি পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসন আয়োজিত পঞ্চগড় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তারাই আজকে কারণে অকারণে ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টি করে বলে ভাস্কর্য ভাঙ্গো। এখন আবার তারাই কুমিল্লায় মন্দিরে কোরআন শরীফ রাখার কাজটি করেছে। কোন পাগলে বলবে কোরআন শরীফ নিয়ে হিন্দুরা তাদের পূজা করে। তাদের সঙ্গে আমাদের আল কোরআনের কি সর্ম্পক। তারা তাদের ধর্ম পালন করবে। গোপনে তারা সেখানে কোরআন শরীফ নিয়ে রেখে এসেছে, ধরাও পড়ে গেছে। পরে চারিদিকে ফোন করে বলে দিল কোরআনের অবমাননা চলছে এই মন্দিরে। একটা ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য এই পায়তারা করছে তারা।

মন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গুবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলেন। সেখানে তিনি সুকৌশলে স্বাধীনতার কথা বললেন। তার কারণে বিশ্ব জনমত আমাদের পক্ষে ছিল। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়েছে, অস্ত্র দিয়েছে। আমরা সেই অস্ত্র নিয়ে, ট্রেনিং নিয়ে পাকিস্তানীদের নাস্তানাবুদ করেছি। ১৬ ই ডিসেম্বর তারা আত্মসর্মপন করতে বাধ্য হয়। দেশ পরিপূর্ণ স্বাধীন হয়।

জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনের সাংসদ মজাহারুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ার‌্যমান আমিরুল ইসলাম, পঞ্চগড় পৌরসভার মেয়র জাকিয়া খাতুন, পঞ্চগড়ের সাবেক ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সায়খুল ইসলাম, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী পঞ্চগড় সদর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স ভবনে পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরে তিনি তিন তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত সদর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স ভবনের ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করেন। ২ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫৪০ টাকা ব্যয়ে কমপ্লেক্স ভবনটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। পরে জাতির পিতা সহ তার পরিবারের প্রতি শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজত পরিচালনা করা হয়।

রি-এএসএমআর/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়