রামুতে ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ৬জন আটক

আগের সংবাদ

ভাসানচরে জাতিসংঘ যুক্ত হওয়ায় রোহিঙ্গাদের আনন্দ মিছিল

পরের সংবাদ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের অবকাশ নেই: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২১ , ৯:৫৩ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২১ , ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আর কোনো তর্কের অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালে বিএনপির দাবি নাকচ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আর কোনো তর্কের অবকাশ নেই। কারণ এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে। এটি একটি মীমাংসিত বিষয়। আর সুপ্রিম কোর্টের রায় যখন মানা হয়, তখন একজন নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে হয়। উচ্চ আদালতে রয়ে হয়েছে, রায়ই বহাল থাকবে।

রবিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডিআরইউ’র সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অতীতেও হয়েছে, আগামীতেও হবে। অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বিচার বিভাগ ও আইন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়নে গত এক যুগে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন। পরে সাংবাকিদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে-সংবিধানে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের কথা বলা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন কমিশনও সার্চ কমিটির মাধ্যমে হবে। মহামান্য রাস্ট্রপতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সার্চ কমিটি গঠন করে থাকেন। তাই এই সার্চ কমিটিও আইনের কাছাকাছি। এরপর আইন প্রণয়ন করা হবে। কারণ, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইন করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনেও বিএনপি মনোনীত একজন প্রতিনিধি রয়েছেন। এটি সবাই জানেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে দলটির নেতাকর্মীদের দাবি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির বিষয়টি সরকারের হাতে নেই। এটা আদালতের বিষয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে তার একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অপর একটি মামলা হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন। এই অবস্থায় তাকে স্থায়ী মুক্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মামলার রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি স্থায়ী মুক্তি পাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএপির নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মানবিক হওয়ার কারণে ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও খালেদা জিয়াকে শর্ত সাপেক্ষে জামিনে মুক্তি দিয়েছেন।

বিভিন্ন মহল থেকে দীর্ঘদিন ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত নেপথ্যের মদদদাতাদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানানো হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, কমিশন গঠনের উদ্যোগ গ্রহণের পরপরই অতিমারি করোনা মহামারি দেখা দিয়েছে। তাই করোনার দিকে গুরুত্ব দেওয়ায় কমিশন গঠনের সুযোগ হয়নি। তবে কমিশন হবে। ইতোমধ্যে কিভাবে, কাদের দিয়ে এই কমিশন গঠন করা যায়, তা যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে নতুন আইনও করা হবে। এই কমিশন হচ্ছে বিকৃত ইতিহাসকে ফেলে দিয়ে সত্য ইতিহাসকে সঠিক পথে চালিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেটি জানানো।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়