আফগানিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত অর্ধশতাধিক

আগের সংবাদ

৬৭ বছর পর এয়ার ইন্ডিয়া কিনল ভারতের টাটা গ্রুপ

পরের সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে এবার ছয় ছাত্রের চুল কেটে দিলেন শিক্ষক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০২১ , ৭:০১ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২১ , ৭:২৯ অপরাহ্ণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার হামছাদী কাজির দিঘীর পাড় আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছয় জন ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। গত বুধবার ছাত্রদের পাঠদান বন্ধ করে বারান্দায় ডেকে এনে চুল কেটে দেওয়া হয় বলে মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মঞ্জুরুল কবির। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে রায়পুর থানা-পুলিশ মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছে। এ সময় তারা ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

এর আগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৪ জন ছাত্রের মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেয়ার ঘটনা সারা দেশে আলোচিত হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির বলেন, দশম শ্রেণির ওই ছাত্ররা ক্লাসের শৃঙ্খলাভঙ্গ করে আসছিল। এ জন্য তাদের অল্প করে চুল কেটে দেয়া হয়েছে। বাকি চুল তারা সেলুনে কেটেছে। তবে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ নেই।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বুধবার তাদের ইংরেজি ক্লাস চলছিল। এ সময় হঠাৎ জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির কাঁচি দিয়ে তাদের ছয়জনের মাথার চুল কেটে দেন। ঘটনার পর তারা ক্লাস না করে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে যায়। তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সহপাঠীদের সামনে লজ্জিত হয়।

একাধিক শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী কয়েক দিন আগে ক্লাস চলাকালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চুল বড় রাখার বিষয়ে ছাত্রদের বকাঝকা করে। এ জন্য ভয়ে তারা সবাই এমনিতে সব সময় চুল ছোট করে রাখে। কিন্তু এবার করোনার কারণে তারা কদাচিৎই সেলুনে চুল কাটতে গেছে। এ কারণে চুল একটু বড় হয়ে গেছে। টুপির নিচে থাকে চুলগুলো।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বালাগাত উল্যাহ বলেন, এ ঘটনায় আগে কোনো শিক্ষার্থী অভিযোগ করেনি। খোঁজখবর নিয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাবোধ সৃষ্টির জন্য অনেক সময় ছাত্রদের একটু ভয় দেখানো হয়। তবে কোনো শিক্ষক ছাত্রদের চুল কাটতে পারেন না।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, পুলিশ শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়