প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

আগের সংবাদ

১০ পৌরসভায় নৌকার মনোনয়ন পেলেন যারা

পরের সংবাদ

পাঁচ দিনে দুই লাখ আট হাজার মোবাইল হ্যান্ডসেট অবৈধ চিহ্নিত

প্রকাশিত: অক্টোবর ৭, ২০২১ , ৮:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২১ , ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

নতুন নিয়ম চালুর প্রথম ৫ দিনে দেশে ২ লাখ ৮ হাজার ৪টি অবৈধ মোবাইল ফোন সেট চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে না পারলে কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিসয়েছে ওই সংস্থা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনে বিটিআরসির এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) সিস্টেমে পাঁচ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫৭টি ফোন সেটকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তবে উপযুক্ত কাগজপত্র দেখানোয় এর মধ্যে তিন লাখ ৭৯ হাজার ৭৫৭টিকে বৈধতা দেয়া হয়। আর অবৈধ হিসেবে এখন পর্যন্ত চিহ্নিত হয়েছে দুই লাখ আট হাজার চারটি। এসব সেট ক্রমান্বয়ে বন্ধ করা হবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিটিআরসির কর্মকর্তারা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মলে মোবাইল ফোনের দোকানে চিঠি বিতরণ করেছেন। চিঠিতে বলা হয়, ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা অনিবন্ধিত সেটগুলো ফেরত নিয়ে মূল্য ফিরিয়ে দেয়া হয়। নইলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানানো হয় চিঠিতে।

৩০ জুনের পর রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা সব সেট বন্ধের সিদ্ধান্ত গত ১ অক্টোবর কার্যকর করে বিটিআরসি। চোরাই পথে দেশে আসা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে গত ১ জুলাই এনইআইআর সিস্টেমটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। প্রত্যেক হ্যান্ডসেটের আইইএমআই নম্বরের সঙ্গে সিমের তথ্য ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে কোন গ্রাহক কোন সেট ব্যবহার করছেন সে তথ্যও এনইআইআর সিস্টেমে চলে আসে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত চালু থাকা সব নম্বর সয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে অর্ন্তভুক্ত করা হয়। এরপর তিন মাস সময় দেয়া হয় নিবন্ধনের।

বিটিআরসি জানায়, মূলত দেশে অবৈধ বা নন-চ্যানেল মোবাইল ফোনের প্রবেশ বন্ধ করতে সরকার এ ব্যবস্থা চালু করে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য অপরাধী শনাক্ত সহজ হবে। এ সিস্টেম চালু হলে চুরি বা ছিনতাই হওয়া ফোনে অন্য সিম দিয়ে নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি এই সিস্টেম দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভ‚মিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ১ অক্টোবর থেকে কোনো গ্রাহক ফোন চালু করতে গেলে একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন। ফোনটি বৈধ হলে কয়েকটি ধাপ অগ্রসর হলেই সেটি চালু হয়ে যাবে। যদি ফোনটি অবৈধ হয় তাহলে নেটওয়ার্কে চালু করার সময় বার্তা আসবে ও ফোনটি বন্ধ হয়ে যাবে। এই বার্তা ফোন বিক্রেতাকে দেখিয়ে ক্রেতা তার সেটটি বদলে নিতে পারবেন বা টাকা ফেরত নিতে পারবেন। তিনি জানান, কোনো সেট বৈধ কি না তা জানতে ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে বড় হাতের ‘কেওয়াইডি’ টাইপ করে স্পেস দিয়ে মোবাইলের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে সেটি ১৬০০২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে আইএমইআই নম্বরটি বিটিআরসির ডাটাবেজে সংরক্ষিত আছে কিনা তা জানা যাবে।

আর- আরএ / ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়