শেকৃবিতে দুই অনুষদের নতুন ডিন নিয়োগ

আগের সংবাদ

‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা’য় এলিনা শাম্মী

পরের সংবাদ

পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন বিকাশ হচ্ছে: বিজিএমইএ সভাপতি

প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২১ , ৬:৩১ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০২১ , ৩:০১ অপরাহ্ণ

বিশ্ববাজারে আমাদের শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক রাখার জন্য উন্নত টেকসই প্রযুক্তি এবং উদ্যোগের কোনও বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। টেকসই উন্নয়ন বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিল্পটি বিকাশের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে এবং একইসঙ্গে পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করছে। আমাদের ইউএস গ্রীন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) কর্তৃক সার্টিফায়েড ১৪৮টি লীড গ্রীন কারখানা রয়েছে, যার মধ্যে ৪৪টি প্লাটিনাম রেটেড এবং ৯১টি গোল্ড রেটেড। তাছাড়া বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি গ্রীন কারখানার মধ্যে ৪০টি কারখানারই অবস্থান বাংলাদেশে এবং ৫০০ কারখানার সনদ পাওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) বিজিএমইএ এর সহযোগিতায় ট্রেড কাউন্সিল অব ডেনমার্ক-বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত “সবুজ রূপান্তরের ভবিষ্যতে মনোনিবেশ করুন শিল্প প্রক্রিয়াসমূহের জন্য সবুজ প্রযুক্তি এবং টেকসই ভবন” শীর্ষক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এসব কথা বলেন। ওয়েবিনারের উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশে গ্রীন বিল্ডিং এবং ইন্ডাষ্ট্রিয়াল প্রসেসের জন্য ডেনমার্কের প্রযুক্তিগত সমাধান (টেকনিক্যাল সল্যুশন) বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো। টেকসই ভবন, গ্রীন বিল্ডিং সার্টিফিকেশন এবং গ্রীন অর্থায়নের বিষয়গুলো ওয়েবিনারে আলোচনা করা হয়েছিলো।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি স্ট্রাপ পিটারসেন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক খন্দকার মোরশেদ মিল্লাত, আইএফসির প্রোগ্রাম ম্যানেজার নিশাত শহীদ চৌধুরী, বাজার উন্নয়ন ইউএসজিবিসি অনুষদের আঞ্চলিক প্রধান শান্তনু দত্ত গুপ্ত ও ডেনিশ দূতাবাসের ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর কাউন্সেলর কিম ওয়াগ ওয়েনকউফ কুক এবং ডেনিশ কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা ওয়েবিনারে অংশ নেন। ডেনিশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আলি মুশতাক বাট ওয়েবিনারটি সঞ্চালন করেন।

বিজিএমইএ সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তি যেমন উন্নত এলইডি ল্যাম্প, ডাইরেক্ট ড্রাইভ এক্সস্ট ফ্যান, বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, সৌর বিদ্যুৎ, লো লিকোর ডাইংমেশিন, সার্কুলার টেকনোলজি, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট এবং রিসাইক্লিং, কমপ্রেসড এয়ার সিস্টিম, অটোমেশন ইত্যাদির মাধ্যমে শিল্পে জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানো এবং কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

রি-এমএস/ইভূ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়