মুনিয়া হত্যা মামলায় মডেল পিয়াসা দুইদিনের রিমান্ডে

আগের সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে মমতার জয়

পরের সংবাদ

ই-অরেঞ্জের মালিক দম্পত্তির বিরুদ্ধে আবারও প্রতারণার মামলা

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩, ২০২১ , ২:২৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২১ , ২:২৯ অপরাহ্ণ

প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ই-অরেঞ্জের মালিক দম্পত্তি সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ২৭ গ্রাহকের ৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (৩ অক্টোবর) ভুক্তভোগীদের পক্ষে মো. নাসিম প্রধান বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে এ মামলা করেছেন। এরপর বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে রাজধানীর গুলশান থানাকে অভিযোগ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ই-অরেঞ্জের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন অফার দিয়ে আসামিরা স্বল্প মূলে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির জন্য গ্রাহকদের আকৃষ্ট করেন। পরে সেসব পণ্যের বিপরীতে অগ্রিম মূল্য নেন। এভাবে এ মামলার ২৭ জন বাদীর নিকট থেকে বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের জন্য মোট ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৭৯ টাকা গ্রহণ করে রিসিট দেন তারা। কিন্তু পণ্য ডেলিভারির করতে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে ই-অরেঞ্জ। সবশেষ মালিকানা হস্তান্তর হওয়ার কথা বলে সব প্রকার পণ্য ডেলিভারি স্থগিত করে আসামিরা আত্মগোপন করেন।

এ মামলায় বাকি আসামিরা হলেন, প্রতিষ্ঠানটির শেখ সোহেল রানা, মো. আমান উল্লাহ চৌধুরী, জায়েদুল ফিরোজ, নাজনীন নাহার বিথী ওরফে বিথী আক্তার ও নাজমুল হাসান রাসেল।

এরআগে গত ১৬ আগস্ট অর্ডার করে পণ্য না পাওয়ায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মো. তাহেরুল ইসলাম নামে এক ভুক্তভোগী বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। তবে সে মাসলায় তার সঙ্গে এজাহারে প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জনের স্বাক্ষর রয়েছে। তারা পণ্য ডেলিভারি না দিয়ে ১ লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় প্রথমে পাঁচদিন ও পরে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

এছাড়া গত ৪ সেপ্টেম্বর গ্রাহকের ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ, নাজনিন নাহার বিথি, কাওসার, কামরুল হাসান, আব্দুল কাদের, নূরজাহান ইসলাম সোনিয়া ও রুবেল খান।

ডি-এফবি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়