নোয়াখালীতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহীর প্রাণহানি

আগের সংবাদ

ডিবি পরিচয়ে মোবাইল কেড়ে পালানোর সময় দুই ছিনতাইকারী আটক

পরের সংবাদ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, স্থগিত করা হয়েছে পরীক্ষা

প্রকাশিত: অক্টোবর ১, ২০২১ , ১১:৩৭ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২১ , ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

১৪ জন শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়নি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (১ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এর আগে সকালবেলায় জানিয়েছে, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের ‍শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। এ খবর নিশ্চিত করেছিলেন রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল।

তবে শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি।

জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিন্ডিকেট সভায় বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অস্থিরতা নিরসনে ফারহানা ইয়াসমিনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়নি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেয়ার ব্যাপারে কয়েকজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে সেটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে খবর আসে। ফলে ফারহানা ইয়াসমিনের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

আন্দোলনের মুখে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান, সহকারী প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বোর্ডের সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে পদত্যাগ করেন ফারহানা ইয়াসমিন। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়।

কিন্তু পদত্যাগের ঘোষণা দেয়ার দিনই ফারহানা একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি যাদের চুল কেটে দিয়েছেন তাদের চেনেন না। তারা তার শিক্ষার্থী কি না তাও তিনি বলতে পারেন না।

এমন বক্তব্য আসার পর আবারও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। স্থায়ীভাবে শিক্ষিকা পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে আমরণ অনশন করছেন তারা।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়