হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন পেলে

আগের সংবাদ

কোচকে রোনালদোর প্রেসক্রিপশন

পরের সংবাদ

রবিবার ওমানের উদ্দেশে উড়াল দেবে টাইগাররা

প্রকাশিত: অক্টোবর ১, ২০২১ , ৯:১৯ অপরাহ্ণ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২১ , ৯:১৯ অপরাহ্ণ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর। উদ্বোধনী দিনেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন ব্যস্ত সময় পার করছে ওমানে উড়াল দেয়ার অপেক্ষায়। সব কিছু ঠিক থাকলে রবিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকা ত্যাগ করবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। সেখানে পৌঁছানোর পর একদিনের রুম কোয়ারেন্টাইন শেষ করে অনুশীলনের জন্য চারটি সেশন পাবেন মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকরা। ওমানে চারদিনের অনুশীলন শেষে ৯ অক্টোবর আরব আমিরাতের উদ্দেশে যাত্রা করবে টাইগাররা। সেখানে একদিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে ১১ অক্টোবর ফের শুরু করবে অনুশীলন।

এরপর ১২ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ও ১৪ অক্টোবর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ওয়ার্মআপ খেলে পরদিন আবার ওমানে ফিরে আসবে বাংলাদেশ দল। ১৬ অক্টোবর এক বেলা অনুশীলনের পরই দলটির বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে। তার আগে আগামীকাল(২অক্টোবর) বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হবে। তাছাড়া এবার বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের সেরাটা খেলতে মুখিয়ে আছেন বাঁ-হাতি ওপেনার সৌম্য সরকার ও স্পিনার নাসুম আহমেদ।

এদিকে বাংলাদেশ দল নিজেদের সর্বশেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে পেয়েছে জয়। এর মধ্যে সর্বশেষ দুই সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে সিরিজের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন সৌম্য। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে সৌম্যের ব্যাট রান খরায় ভুগেছে। তাই নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর সবাই ছুটি পেলেও সৌম্য সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন অনুশীলনে। এমনকি হোম অব ক্রিকেটে বেশ কয়েক দিন দেখা মিলেছে সৌম্যের ঘাম ঝরানোর দৃশ্যের। শুক্রবার(১অক্টোবর) অনুশীলন শেষে মূলত কী নিয়ে কাজ করেছেন এ বিষয়ে সৌম্য বলেন, বিশ^কাপের উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন অনুশীলনে। কারণ অনুশীলনের উইকেট ছিল স্পোর্টিং উইকেটের কাছাকাছি। সেই সঙ্গে বড় শট খেলার জন্য ভারসাম্য ঠিক রাখার কৌশল রপ্ত করে গেছেন এই জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান।

তিনি আরো বলেন, স্কিল নিয়ে কিছু কাজ করা তো হয়েছেই। ব্যালেন্স করা, উইকেটে মানিয়ে নেয়া নিয়ে কাজ করেছি। আমরা গত যে দুই সিরিজে খেলেছি সেখানে উইকেট অনেক কঠিন ছিল। স্পোর্টিং উইকেটে খেলার জন্য আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে হচ্ছে। এতদিন অনুশীলন করছিলাম। আশা করি প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। আমরা তাড়াতাড়ি যাচ্ছি। ওখানে প্রস্তুতি ম্যাচও আছে। ওখানে প্রস্তুত হওয়ার আরো সুযোগ পাব। যতটুকু হয়েছে ভালো। তাছাড়া আমার প্রিয় প্রতিপক্ষ বলে কেউ নেই। সবার বিপক্ষেই ভালো করতে হবে। আলাদা কোনো কিছু নেই। মাঠে সব প্রতিপক্ষই সমান। আমি মনে করি, ১০ নম্বর দলের বিপক্ষে যে মনোযোগ নিয়ে খেলা উচিত তেমনি ১ নম্বর দলের সঙ্গেও একই মনোযোগ নিয়ে খেলা উচিত। সবাইকে সমান চোখে দেখলে ভালো হয়। সব দল সমান। আলাদা কিছু না ভেবে নিজের সেরাটা দিতে হবে।

এছাড়া ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের অন্যতম রূপকার ছিলেন বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। দুই সিরিজেই তিনি শিকার করেছেন ৮টি করে উইকেট। দুই সিরিজের ১০ ম্যাচে পাঁচের কম ইকোনমি রেটে বোলিং করেছেন তিনি। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্পিনিং উইকেটের চেয়ে স্পোর্টিং উইকেটে খেলা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই মিরপুর শেরেবাংলার উইকেটের মতো বাড়তি সুবিধা পাবেন না স্পিনাররা। তবে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত নাসুম। এ বিষয়ে গতকাল সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন ,আসলে এখানে চ্যালেঞ্জ বলতে কিছু নাই। ভালো করতে হবে যে কোনো উইকেটে। ভালো তো করতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের চেষ্টা থাকবে ভালো করার। আমরা ভালোই করব ইনশাআল্লাহ্।

এদিকে বর্তমানে ভারতের জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট আইপিএল খেলতে আরব আমিরাতে রয়েছেন সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের কাছ থেকে আমিরাতের উইকেট ও কন্ডিশন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করেন নাসুম। সেখানকার উইকেট ও কন্ডিশন সম্পর্কে ধারণার বিষয় নাসুম বলেন, সাকিব ও মোস্তাফিজ ভাই আমিরাতে অনেক দিন ধরে আছে। ওখানের উইকেট সম্পর্কে তাদের ভালো ধারণা থাকবে। অবশ্যই এটার জন্য কোনো একটা আইডিয়া পাব আমরা। তাছাড়া যে কোনো পরিস্থিতিতে, যে কোনো উপায়ে মানিয়ে নিতে হবে। খেলাও জিততে হবে, ওইরকমভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়